লিজা হত্যা মামলা: দেড় বছর পর মোহাম্মদপুর থেকে আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার।
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৭-০১-২০২৬ ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৭-০১-২০২৬ ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন
আসামি রুদ্র
বিশেষ প্রতিনিধি:মাহফুজুর রহমান.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর শান্তিনগরে নিজ বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত লিজা আক্তার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মাহতাব হোসেন রুদ্রকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঘটনার এক বছর পাঁচ মাস পর বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোর রাত ২টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন নবীনগর হাউজিং এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ ইউনিট ও এলআইসি শাখার একটি যৌথ আভিযানিক টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত রুদ্র কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার রামেশ্বর শর্মা গ্রামের কহিদুর রহমানের ছেলে।
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে শান্তিনগর মোড় ও সিদ্ধেশ্বরী নিউ সার্কুলার রোড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কানিফার টাওয়ার'-এর ১৪ তলার একটি ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন লিজা আক্তার। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জুলাই ২০২৪ তারিখে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রমনা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০১) দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারাসহ বিষ্ফোরক উপাদানাবলি আইনে অভিযোগ আনা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন আসামি মাহতাব হোসেন রুদ্র হেলমেট পরিহিত অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা জামান পপিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবস্থান করে আন্দোলন দমনে সহিংসতায় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। লিজা নিহতের ঘটনার পর থেকেই রুদ্র আত্মগোপনে ছিলেন।
সিআইডি জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীর্ঘ নজরদারির পর বুধবার ভোরে তাকে মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স