ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে হেনস্তা ও নির্যাতনের অভিযোগে নীলফামারীর এসপির পদত্যাগের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১১-০২-২০২৬ ০৯:০৫:৫৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১১-০২-২০২৬ ০৯:০৫:৫৯ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে হেনস্তা ও নির্যাতনের অভিযোগে নীলফামারীর এসপির পদত্যাগের দাবি আমির বেলাল উদ্দিনকে আটক
মোঃ লিখন ইসলাম (নীলফামারীপ্রতিনিধি) সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নগদ অর্থ বহনের সময় ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে আটক, হয়রানি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর আসেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতেই তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাকে আটক করা হয়েছে। এসময় বেলাল উদ্দিনকে নীলফামারী পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম নির্যাতন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। নির্যাতনের একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নীলফামারীর পুলিশ সুপারের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। ফ্যাসিবাদের আমলের বিভিন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ করেছেন তিনি। সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৫০ লাখ টাকার বেশি অর্থসহ তাকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে শুরুতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক এজেন্ডা দাবি করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার শিক্ষার্থী মো. ইউসুফ আলী বলেন,“আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর হয়, তাদের নিরপেক্ষতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এ ধরনের প্রশাসন নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু করতে ব্যর্থ হয়। অবিলম্বে নীলফামারীর পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি করছি।” এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং বলেন, “কিছু জানাতে হলে এসএমএস দিন।” হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি তা দেখার পরও কোনো জবাব দেননি। তবে অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন,“টাকা বহনে কোনো বাধা নেই। ধরুন, কেউ বিমানে কোটি কোটি টাকা নিয়ে যেতে চায়। মূল বিষয় হলো এটি কি নির্বাচনী আচরণবিধির সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি করছে কি না। পুরো পরিস্থিতি না জেনে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ