ইরানের নৌবাহিনী শেষ, সবই সমুদ্রের তলায় পড়ে আছে: ট্রাম্প
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
১১-০৩-২০২৬ ০৩:২৫:১৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১১-০৩-২০২৬ ০৩:২৫:১৯ অপরাহ্ন
ট্রাম্প
ইরানের মাইন স্থাপনকারী নৌযানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালীকে লক্ষ্যবস্তু করলে তেহরানকে ‘নজিরবিহীন সামরিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সতর্ক করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় ১০টি মাইন স্থাপনকারী ইরানি নৌযান বা জাহাজ হামলা চালিয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানায়, ধ্বংস হওয়া নৌযানের সংখ্যা বেড়ে ১৬-তে দাঁড়িয়েছে। সেন্টকমের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালীর কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নৌযানগুলো বিস্ফোরিত হচ্ছে।
ইরান হুমকি দিয়েছে যে, উপসাগরীয় কোনো দেশের তেল এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। এর ফলে প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিশ্ব তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন স্থাপন শুরু করেছে বা করতে যাচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, মাইন স্থাপন শুরু হয়েছে কি না তা তার জানা নেই। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি মাইন স্থাপন করা হয়েও থাকে এবং তা অবিলম্বে সরানো না হয়, তবে ইরান এমন সামরিক পরিণতি ভোগ করবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। আর যদি তারা মাইন সরিয়ে নেয়, তবে সেটি হবে বড় ইতিবাচক পদক্ষেপ।
ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করা।
সোমবার রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নৌবাহিনী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের অন্তত ৪৬টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি ছিলো অত্যাধুনিক।
তিনি সবশেষ মন্তব্য করেন, ‘নৌবাহিনী শেষ। সবই সমুদ্রের তলায় পড়ে আছে।’
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স