৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েও প্রতারণা করেছেন জেলার দেলোয়ার
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
১৫-০৩-২০২৬ ০৯:২৭:১৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৫-০৩-২০২৬ ০৯:২৭:১৮ অপরাহ্ন
কক্সবাজার জেলা কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে বন্দিদের প্রতি অসাধু আচরণ, নির্যাতন এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এক মারাত্মক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। কারাগারের দায়িত্বে থাকা জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন হাজতি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। অভিযোগে উঠে এসেছে যে, তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন আসামি দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন, কিন্তু পরবর্তী কোনো সুরাহা বা সুবিধা নিশ্চিত করেননি।
কারাগারে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য উঠে এসেছে। বন্দিদের প্রতি অসদাচরণ, জিম্মি করে টাকা আদায় এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মতো অভিযোগ প্রমাণ করে যে, কারাগারের ভেতরের পরিবেশ একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগার ভিন্ন। এখানে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে নিয়মিত তিন হাজারেরও অধিক বন্দি রয়েছে। অধিকাংশ আসামি ইয়াবা মাফিয়া ও বড় মাদক সম্রাট। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও এই কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
“রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ”—কারাগারের এমন প্রতিপাদ্য থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। অভ্যন্তরের কর্মকর্তা ও জেলা দেলোয়ার নিজস্ব নিয়মে বন্দিদের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন। বন্দিরা জানাচ্ছেন, কারাগারের কর্মকর্তারা তাদেরকে নানা সুবিধা দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেন। বিশেষ করে আলোচিত রাজনৈতিক বন্দিদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা আদায় করা হয়। আর যে বন্দিরা নির্দিষ্ট অর্থ দিতে পারে না, তাদের আইনের ফাঁকফোকর দেখিয়ে সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়, মাসের পর মাস সেলে আটকে রাখা হয় এবং খাবারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।
জামিনে মুক্ত হওয়া এক হাজতি আসামি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন, তাকে ডিটেনশন আসামি হিসেবে সেলে বন্দি রাখা হয়েছিল। পরে সাধারণ বন্দির মতো করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তবে ৪ লাখ টাকা প্রদান করার পরও কোনো সমাধান করা হয়নি। বরং এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সব সুবিধা বন্ধ করে তাকে সেলে আটকানো হয়। এতে তার শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনার একটি চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ডও প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, জেলার দেলোয়ারের ছত্রচ্ছায়ায় কারারক্ষী, সুবেদার, জমাদার এবং সিনিয়র কারারক্ষীরাও বন্দিদের কাছ থেকে নানা কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেন। রোহিঙ্গা মাদক কারবারিদের কাছ থেকেও মাসিক অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কিছু বন্দিকে বিশেষ রান্না ও সুবিধা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। কিছু প্রভাবশালী আসামিকে গোপনে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার মাধ্যমেও অর্থ আদায় করা হয়।
কারা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনাতেও দুর্নীতি এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধারণ বন্দিদের রোগী বানিয়ে মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। কারাগারে বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড পরিবর্তন করে ভোগান্তিতে ফেলা হয় এবং নির্দিষ্ট মাসিক অর্থ প্রদান করলে বন্দিদের সুবিধা অনুযায়ী রাখার ব্যবস্থা করা হয়। কারাগারের ভেতরে নিষিদ্ধ জিনিস, যেমন গাঁজা, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য পাচারে সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে। বিশেষভাবে ‘গাঁজা ওয়ার্ড’ নামক আলাদা ওয়ার্ড থাকার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
বন্দিদের অভিযোগ, কারাগারের খাদ্য ব্যবস্থাপনায়ও অনিয়ম বিদ্যমান। বিশেষ রান্নার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। রান্না করা এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য সাড়ে তিন হাজার টাকা, শুটকি এবং এক কেজি আলুর মূল্য দুই হাজার টাকা। মোবাইলে গোপনে যোগাযোগ করলে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলার সুযোগও দেওয়া হয়, কিন্তু এজন্যও অর্থ প্রদান বাধ্যতামূলক। এসব কর্মকাণ্ডের পুরো নিয়ন্ত্রণ জেলার দেলোয়ার এবং তার নিজস্ব কারারক্ষীরা হাতে নিয়েছেন।
একজন জামিনে মুক্তি পাওয়া হাজতি নাম সেলিমও জানালেন, বন্দিদের জন্য সবকিছুই নির্ধারিত নিয়মের বাইরে পরিচালিত হয়। যারা টাকা দিতে পারে না, তারা অসুবিধার মধ্যে থাকে। কারাগারে এসব বিষয়ে মুখ খুললেই ভুক্তভোগীরা সেলের মধ্যে আটকে পড়েন।
জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি বলেন, “আপনি যার কথা বলছেন, তিনি একমাত্র ডিটেনশন আসামি ছিলেন। কেবল সেই কারণে চার লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি হয়েছে।” তবে তিনি ওই টাকার বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট উত্তর দেননি। ওয়াটসঅ্যাপ এবং টেক্সট বার্তার মাধ্যমে জানতে চাওয়ার পরও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
কারাগারের বন্দিদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাও অভিযোগের আঙিনায় এসেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পর্যন্ত সবাই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক এবং অর্থের ভিত্তিতে সুবিধা পাচ্ছেন। যে বন্দিরা প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে পারছেন না, তাদেরকে দীর্ঘ সময় সেলে আটকে রাখা হচ্ছে। এছাড়াও কারারক্ষী ও কর্মকর্তা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বন্দিদের ওপর নানা চাপ প্রয়োগ করা হয়। বন্দিদের শরীরিক এবং মানসিক অবস্থার প্রতি কোনো দৃষ্টিপাত নেই।
অভিযোগ রয়েছে, কারাগারে রাজনৈতিক বন্দিদের ‘ইলিশ ফাইল’ দেখিয়ে তাদের নির্যাতন করা হয়। কারাগারে বন্দিরা জানান, নির্দিষ্ট মাসিক অর্থ দিলে সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি কারাগারের বিভিন্ন কার্যক্রমেও অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে। অর্থ প্রদান করতে না পারলে তারা নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে। বন্দিদের খাদ্য, চিকিৎসা এবং ওয়ার্ড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই প্রভাব খুব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের বন্দিদের সংখ্যা ও বৈচিত্র্যও অপরিসীম। এখানে সাধারণ আসামি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা, বড় মাদক সম্রাট এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী সবাই একত্রে বন্দি রয়েছেন। বন্দিদের অভিযোগ, এখানে সবকিছুই জেলা দেলোয়ারের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি কারারক্ষী, সুবেদার এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করেছেন। বন্দিদের প্রতি তাঁর আচরণ কঠোর এবং অনৈতিক।
জেলার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, কারা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনাতেও অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, বন্দিদের বিশেষ রান্না ও খাবার ব্যবস্থা, গোপনে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া এবং নিষিদ্ধ জিনিসপত্রের পাচারে সহযোগিতা। এসব কর্মকাণ্ড কারাগারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, যা বন্দিদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি আইন ও শৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
একজন বন্দি জানান, জেলা দেলোয়ারের ছত্রচ্ছায়ায় বন্দিদের প্রতি এক ধরনের ভয়ঙ্কর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার করা হয়। বন্দিদের সঙ্গে তার আচরণ এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সে নিজস্ব ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেছেন। কারাগারে যে বন্দি অর্থ দিতে পারবে না, তাকে নানা অসুবিধায় ফেলা হয়। যারা অর্থ প্রদান করতে সক্ষম, তাদের সুবিধা দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থার ফলে কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ একেবারেই অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে।
বন্দিদের অভিযোগ, কারাগারের নানা ওয়ার্ডে অতিরিক্ত আসামি রাখা, খাবার সীমাবদ্ধ করা, সেলের মধ্যে দীর্ঘ সময় রাখা এবং ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য বন্দিদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য জেলা দেলোয়ারের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট দায়ী। এসবের ফলে বন্দিরা শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে, জামিনে মুক্ত হওয়া হাজতিদের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, জেলার দেলোয়ার একজন অবৈধ ঘুষখোর, যিনি কারারক্ষীদের নিয়ন্ত্রণে রেখেই বন্দিদের ওপর তার নিজের আধিপত্য বিস্তার করেছেন। বন্দিদের সঙ্গে তার আচরণ, অর্থ আদায়ের পদ্ধতি, বিশেষ সুবিধা প্রদানের প্রক্রিয়া—all বিষয়েই অভিযোগের পুঁজি জড়িত।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা দেলোয়ারের বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি। ওয়াটসঅ্যাপ এবং টেক্সট বার্তার মাধ্যমে জানার চেষ্টা করলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এতে বোঝা যায় যে, কারাগারে যে ধরনের অনিয়ম চলছে, তার কোনো দায় তিনি স্বীকার করছেন না।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং জেলার দেলোয়ারের কার্যকলাপ দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় ভিন্ন এবং উদ্বেগজনক। বন্দিদের অভিযোগ এবং সাক্ষ্য প্রমাণ করে যে, কারাগারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, নির্যাতন, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং অসাধু আচরণ দীর্ঘদিন ধরে চলমান।
বন্দিদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, খাদ্য, ওয়ার্ড পরিবর্তন এবং চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে অনিয়ম বিদ্যমান। জেলা দেলোয়ার এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বন্দিরা নানা অসুবিধার মধ্যে পড়ছেন। এই পরিস্থিতি দেশের কারাগারের মানদণ্ড ও মানুষের মানবাধিকার ভঙ্গ করছে।
কারাগারে বন্দিদের ওপর জেলা দেলোয়ারের প্রভাব এবং আধিপত্য বিস্তার শুধুমাত্র আর্থিক লেনদেনেই সীমাবদ্ধ নয়। তার প্রভাব রাজনৈতিক, সামাজিক এবং মানবিক ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হচ্ছে। বন্দিদের অভিযোগ অনুযায়ী, কারাগারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলছে এবং আইনগত বিধান কার্যকর হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতি দেশের বিচার ব্যবস্থা, কারা প্রশাসন এবং মানবাধিকার সংস্থা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বন্দিদের অভিযোগ এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, কক্সবাজার জেলা কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে অসাধু আচরণ, নির্যাতন এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চলছে।
বন্দিরা জানান, জেলা দেলোয়ার কারাগারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন। তার নেতৃত্বে কারারক্ষী, সুবেদার, জমাদার এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা বন্দিদের ওপর নানা চাপ প্রয়োগ করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। বন্দিরা শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এছাড়াও বন্দিদের অভিযোগ, কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, খাদ্য, চিকিৎসা, ওয়ার্ড পরিবর্তন এবং সুবিধা প্রদান—all বিষয়েই জেলা দেলোয়ারের নিয়ন্ত্রণ অতি শক্তিশালী। কারাগারের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম এবং অসাধু কার্যকলাপ বন্দিদের মানবাধিকারকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে।
জামিনে মুক্তি পাওয়া হাজতি এবং অন্যান্য বন্দিদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, জেলার দেলোয়ার একজন অবৈধ ঘুষখোর এবং তার নিয়ন্ত্রণে কারাগারের সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে। বন্দিরা তার প্রভাব এবং আধিপত্যের শিকার হচ্ছেন।
অভিযোগ অনুসারে, জেলা দেলোয়ার স্বার্থসিদ্ধির জন্য বন্দিদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছেন। বন্দিদের খাদ্য, চিকিৎসা, ওয়ার্ড পরিবর্তন এবং অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ আদায় করে থাকেন। তার নেতৃত্বে কারারক্ষীরা বন্দিদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করেন।
এই পরিস্থিতিতে কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের উন্নয়ন এবং বন্দিদের মানবাধিকার রক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন। দেশের অন্যান্য কারাগারের তুলনায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে অসাধু কর্মকাণ্ডের মাত্রা অনেক বেশি এবং এটি সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে।
জেলার দেলোয়ার এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিন্ডিকেটের কার্যক্রম সম্পর্কে তদন্ত ও নজরদারির মাধ্যমে কারাগারে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বন্দিদের শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষা দেওয়াই দেশের আইন ও মানবাধিকারের মূল দিক।
কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে অসাধু কর্মকাণ্ড, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, বন্দির ওপর নির্যাতন এবং বিশেষ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে দেলোয়ারের একচ্ছত্র আধিপত্য দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক করছে।
এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের মাধ্যমে দেশের প্রশাসন, মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর কাড়া উচিত, যাতে কারাগারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, বন্দির অধিকার এবং আইন কার্যকরভাবে রক্ষা করা যায়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স