ডিমলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবসের ৫৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৬-০৩-২০২৬ ০৪:৩৭:১৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৬-০৩-২০২৬ ০৪:৩৭:১৩ অপরাহ্ন
স্বাধীনতা দিবসের ৫৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে
মোঃ লিখন ইসলাম ( নীলফামারী প্রতিনিধি):
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো,রওশন কবির, কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্নার, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শওকত আলী সরকার,
আব্দুস সাত্তার এমপি নীলফামারি -১(ডোমার - ডিমলা) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা মজিবুর রহমান, উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক কাজি হাবিবুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি রোকনুজ্জামান বকুল, বাংলাদেশ শ্রমিককল্যান ফেডারেশনের ডিমলা উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।
জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জেলা উপদেষ্টা কমিটি, ডিমলা উপজেলার সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, ও ডিমলা উপজেলার বিএনপি'র সাবেক সভাপতি, অধ্যক্ষ মানোয়ার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গোলাম রববানী প্রধান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রভাষক আবুল কাশেম, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী, শ্রমিক সংগঠনের নেতা
মোহাম্মদ জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধের সূচনা ঘটে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে স্মরণ করে ডিমলায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা জুড়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সংবর্ধনার মাধ্যমে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিবসটি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগ আমাদের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা জোগায়। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।
এসময় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে-এই প্রত্যয়ে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। ডিমলায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সহিত পালন করা হয়। পরিশেষে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দিবসের অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স