ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১১-০৪-২০২৬ ০২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১১-০৪-২০২৬ ০২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম নগরীর ২ নম্বর গেট সংলগ্ন ব্যস্ততম ‘চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স’ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।






শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে মার্কেটের দোকানপাট খোলার আগেই এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রথম আগুনের খবর পাওয়া যায়। এরপর আগ্রাবাদ ও বায়েজিদ বোস্তামী স্টেশনের পাঁচটি ইউনিট পর্যায়ক্রমে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।


আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও মার্কেটের ভেতরে প্রচুর পরিমাণ ধোঁয়া জমে থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে এখনো ঘন ধোঁয়া বিদ্যমান। ফলে আগুনের তীব্রতা কমলেও ভেতরে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, “আমাদের ফায়ার ফাইটাররা বর্তমানে ধোঁয়ার ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। মার্কেটের প্রতিটি ফ্লোরে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ধোঁয়া পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ভেতরে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠবে না।”

কিভাবে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে সে বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস এখনই নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের উৎপত্তি হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হলেও তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানানো হবে।

শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা জানান, সকালে হঠাৎ ধোঁয়া দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঈদের মৌসুম হওয়ায় মার্কেটে প্রচুর নতুন কাপড় ও মূল্যবান পণ্য মজুত ছিল। আগুনে ঠিক কতটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কী পরিমাণ সম্পদের ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণে কাজ চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং ভেতরে জমে থাকা ধোঁয়া বের করতে ‘স্মোক ইজেক্টর’ ব্যবহার করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’