ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ , ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে শত শত কোটি টাকা সম্পদ মোহাম্মদপুর এর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের। হারিস এবং আওলাদ প্রতি বুধবার পৌঁছে দেন ঘুষের লক্ষ লক্ষ টাকা মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের ফার্মগেটের বাসায়।

জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে শত শত কোটি টাকা সম্পদ মোহাম্মদপুর এর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের। হারিস এবং আওলাদ প্রতি বুধবার পৌঁছে দেন ঘুষের লক্ষ লক্ষ টাকা মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের ফার্মগেটের বাসায়।

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২১-০৪-২০২৬ ০৪:২৯:০৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২১-০৪-২০২৬ ০৪:২৯:০৮ অপরাহ্ন
জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে শত শত কোটি টাকা সম্পদ মোহাম্মদপুর এর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের। হারিস এবং আওলাদ প্রতি বুধবার পৌঁছে দেন ঘুষের লক্ষ লক্ষ  টাকা মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের ফার্মগেটের বাসায়।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিস দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির গুঞ্জনে মুখর। দেশের সাব রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর দুর্নীতির গল্প নতুন নয়—এখানে সেবা পেতে হলে প্রথম শর্তই হলো ঘুষ, আর ঘুষ না দিলে কোনো কাজ সময়মতো এগোয় না। কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি যেন নৈমিত্তিক ব্যাপার; “টাকা দিলে সেবা, না দিলে অপেক্ষা” এই সংস্কৃতি বহুদিন ধরেই প্রতিষ্ঠিত। তবে মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদির এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সহকারী সাব রেজিস্টার হারিস এই দুর্নীতিকে যেন আরও সংগঠিত, পরিকল্পিত ও ভয়াবহ স্তরে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে সেবা গ্রহীতা ও দালালদের মুখে। মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রতিমাসে ৩ কোটি টাকা করে হাতানোর মিশনে ভীষণ ব্যস্ত BRSA' র নেতাদের বাইপাস করে সরাসরি ঘুষের উপঢৌকন দিয়ে মোহাম্মদপুরে ঢুকে পড়া আব্দুল কাদির।
অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুল কাদির তার পছন্দের সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পোস্টিং নিতে কয়েক কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন করেন, আর সেই টাকা তোলার জন্য তিনি ক্ষমতা ও দায়িত্বের অপব্যবহার করেন প্রকাশ্যে। জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধনের প্রতিটি ধাপে ঘুষ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ফাইল দিনের পর দিন আটকে রাখা হয় বা বিনা কারণে ত্রুটি দেখিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। অফিসের দালাল চক্রকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। যারা বাধ্য হয়ে ঘুষ দেন, তাদের কাজ অল্প সময়েই সম্পন্ন হয়—এ যেন প্রতিষ্ঠিত ‘দুর্নীতির কাস্টমার সার্ভিস’।
২ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে তিনি মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্টার অফিসে ঢুকে ঘুষ দুর্নীতি ও লুটপাট বাণিজ্যর দোকান খুলে বসেছেন। সর্বক্ষণিক সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছে সহকারি হারিস নকল নবিশ আওলাদ হোসাইন ও নিয়োগ পত্র ছাড়াই অফিসের আরো চার কর্মকর্তা। চার কর্মকর্তা হল কালেকশন বস আওলাদের ভাই কথিত- উমেদার ১. আকিব হোসাইন ২. ইমরান হোসাইন ৩. আয়নাল হোসেন ৪. ও মোস্তফা কামাল।রাজধানীর মহামূল্য জমির রেকর্ড পত্র মোস্তফা কামাল  ও ইমরান হোসেন যখন তখন রেকর্ডরুমের কালাচাবি খুলে ফাইল পত্র আদান-প্রদান করেন।
শুরু থেকে গোপনীয় রেকর্ড তথ্য পাচার, ওভার রাইটিং ওএনআইডি পরিবর্তন করার মত গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অফিসের চাবি ও রেকর্ড রুমের চাবি থাকবে অফিস সহকারীর কাছে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডিংয়ের চাবি, রুমের কাজকর্ম সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদেরের নির্দেশে মোস্তফা কামাল ও ইমরান হোসেনকে দিয়ে পরিচালনা করা হয়। অফিস সহকারি এবং ৪ কর্মচারী প্রতিমাসে ৩ কোটি টাকা করে সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের এর ফার্মগেটের বাসায় গিয়ে বুঝিয়ে দেন। আর তাই দলিল ৫% থেকে ১০% হারে টাকা বুঝে নিয়ে তিনি দলিলে স্বাক্ষর করেন।আব্দুল কাদেরের নির্দেশ মোতাবেক টার্গেটের টাকা হারিস,আওলাদ,ইমরান,মোস্তফা,আয়নাল,আকিব এদের মধ্যে যে কেউ দলিল হাতানোর পর যে কেউ দেয় দলিলের মাথায় সংকেত চিহ্ন। সেসব দলিল সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদের স্বাক্ষর করেন আনন্দে চোখ বন্ধ করে। আর যেসব দলিল ওই বিশেষ চিত্র না থাকে সেগুলো রাগানীভাবে বা  দলিলে সমস্যা আছে বলে দূরে ঠেলে দেন। আর যে সকল জমিদাতা গ্রহীতা মুখের উপর বলে ফেলেন সরকারি ফিশ  ছাড়া একটি টাকাও দিব না তখন সেসব মানুষের দলিল ঘুরাতে হয় মাসের পর মাস। আর কারণ হিসেবে হাজারো উত্থাপন করেন ক্যাশিয়ার গং। সপ্তাহের 5 দিন কর্ম দিবসের অবৈধ পন্থায় আদায় করা কালেকশনের গরম টাকা সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদেরের ফার্মগেটের বাসায় প্রতি বুধবার বা বৃহস্পতিবার  রাতে পৌঁছে যায়। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ