ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপূর্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুরল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

অনিয়ম ও আয়-বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ গণপূর্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুরল হক চৌধুরীর

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০৪:০৮:২৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন
অনিয়ম ও আয়-বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ গণপূর্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুরল হক চৌধুরীর
মাহবুবুরল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি সম্প্রতি জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারী তার আবেদনে আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এসব সম্পদের মধ্যে জমি, ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য বিনিয়োগের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক অনিয়ম ও ব্যয়ের অস্বচ্ছতা ছিল, যার ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে কিনা—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য যাচাই করে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য দুদকের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে মোহাম্মদ মাহবুবুরল হক চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হলে তিনি তার অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়ে থাকে। অভিযোগে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সুশাসন বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে একদিকে যেমন প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়, অন্যদিকে নির্দোষ ব্যক্তিরাও অনাকাঙ্ক্ষিত অভিযোগ থেকে মুক্তি পান।
এদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানালেও, আবার কেউ কেউ অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিষয়টি যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সার্বিকভাবে, অভিযোগটির সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করছে। তদন্তের অগ্রগতি ও ফলাফলের দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ