ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ , ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন শেরেবাংলা: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০১:২৯:৫৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০১:২৯:৫৮ অপরাহ্ন
​অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন শেরেবাংলা: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান



এবার শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি ফজলুল হককে কেবল কৃষক সমাজের নেতা হিসেবে নয়, বরং অখণ্ড ভারতের এক অবিসংবাদিত জননেতা হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় শেরে বাংলার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, মানবিক সংবেদনশীলতা এবং আপসহীন নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে এ কে ফজলুল হক উপমহাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছিলেন। তার এই দূরদর্শী পদক্ষেপ আজও ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। তারেক রহমান বলেন, ফজলুল হকই প্রথম অনুধাবন করেছিলেন যে বাংলার রাজনীতি ও অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। তিনি অবহেলিত কৃষক সমাজকে রাজনৈতিক কাঠামোর মূলধারায় নিয়ে আসেন। ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কৃষক–শ্রমিকবান্ধব অসংখ্য নীতি বাস্তবায়ন করেন। প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় প্রশাসনকে পৌঁছে দিতে এবং শিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অনবদ্য।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের বন্ধু। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনীতি বাংলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দূরদর্শিতা এবং অন্তঃর্দৃষ্টির মাধ্যমে তিনি কৃষক সমাজের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোয় নিয়ে আসতে সক্ষম হন। ফজলুল হক প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। কৃষক–শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম করেন।


শেরে বাংলার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর, যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা সিটি করপোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং আইনসভার সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, ১৮৭৩ সালে ঝালকাঠির সাতুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করা এই মহান নেতা ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশ গঠনে তার আদর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ