ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৩:০২:৪২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৩:০২:৪২ অপরাহ্ন
​৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের

মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে ‘লক্ষ্যমাত্রা’ চারশ ছোঁয়ার আশাটুকু নিভু নিভু করছিল। তবে পাকিস্তানি বোলারদের অপেক্ষা বাড়িয়ে বাংলাদেশের ইনিংস কিছুটা লম্বা করেছেন তাসকিন আহমেদ। তার ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান করেছে। যদিও আগেরদিন ৪ উইকেটে ৩০১ করা স্বাগতিকদের আজকের (শনিবার) ব্যাটিংটা ঠিক মানানসই ছিল না। এদিন টিকল কেবল ৩২.১ ওভার।

দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে বাংলাদেশ ১১২ রান যোগ করতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে। ৩৯তম জন্মদিনে মুশফিকের ২৯তম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান পাননি। মুশফিক ১৭৯ বলে ৮টি চারের বাউন্ডারিতে ৭১ রানে আউট হওয়ার আগে লিটন দাস ৩৩ রান করেন। এরপর তাসকিনের ৩ চার ও এক ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসেই বলতে গেলে চারশর বৈতরণী পার হয়েছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের পেসার মুহাম্মদ আব্বাস ষষ্ঠবারের মতো টেস্টে ফাইফার (৫ উইকেট) পেয়েছেন। ৩৪ ওভারে ৯২ রান খরচ করেন ডানহাতি এই পেসার। আরেক পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩১.১ ওভারে ১১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন। মিরপুরে কিছুটা পেসবান্ধব উইকেটে প্রথম দিন বেশ ভালোভাবে আব্বাস-শাহিনদের সামলায় বাংলাদেশের ব্যাটাররা। আজ মুশফিক কেবল তেমন কিছু দেখাতে পেরেছেন। ফলে তাকে খেলতে হয়েছে ধীরগতির ইনিংস।

এর আগে আজ দিনের খেলা শুরুর পর চতুর্থ ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে মুশফিক সিঙ্গেল নিয়ে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। ভালো শুরু পেয়েছেন অপর সঙ্গী লিটন দাসও। টানা তিনটি চার হাঁকান আফ্রিদির এক ওভারে। যদিও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। স্লিপে একবার জীবন পেলেও মুহাম্মদ আব্বাসের বলে বিলাসী শট খেলার চেষ্টায় ৬৭ বলে ৩৩ রানে তালুবন্দী হয়েছেন লিটন। এরপর একটি করে চার-ছক্কায় ১০ রান করে ইমাম-উল-হককে ক্যাচ শিখিয়ে ফিরেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনিও আব্বাসের শিকার।

পাকিস্তানি এই পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে তাইজুল ২৩ বলে ১৭ রানে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। অল্প সময়ের ব্যবধানে মুশফিক-এবাদত ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশের ইনিংস আরও লম্বা না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির আশা জাগলেও, ফেরার পর তৃতীয় বলেই শাহিন আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান। কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকে ভেঙে দেয় মিস্টার ডিফেন্ডেবলের স্টাম্প। এর আগে ফিফটি করেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন মুশফিক।

পরের ওভারেই এবাদত ১০ বলে রানের খাতা না খুলতেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। শেষদিকে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটি গড়েন তাসকিন-নাহিদ রানা। এর মধ্যে রানার ৪ রান বাদে বাকিটা হয়েছে তাসকিনের মারমুখো ব্যাটে। ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি দলীয় রান চারশ পার করেন। শাহিনের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৮ রান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ