ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী দোসর গণপূতের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র বিশ্বাস দুর্নীতি করেও বহাল তবিয়তে।

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ১২:১৫:৪৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ১২:১৫:৪৮ অপরাহ্ন
আওয়ামী  দোসর গণপূতের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র বিশ্বাস দুর্নীতি করেও বহাল তবিয়তে। তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র মন্ডল


সূত্র মতে, শেখ চন্দ্র বিশ্বাস ২০১৮ সালে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের ই/এম উড ওয়ার্কশপ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় সপরিবারে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন। মূলত ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নিশি রাতের নির্বাচনের আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর ক্ষমতায় আসবে না ভেবে নিজের অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করার জন্যই এই ছুটি নিয়েছিলেন তিনি।
গণপূর্ত অধিদপ্ততরে গত ১৬ বছর ধরে গড়ে উঠা লুচপাটের সহযোগী বিগত সরকারের কর্মকর্তাদের বিতাড়িত করার কার্যকর পদক্ষের শুরু করেছে সরকার। 

শেখর চন্দ্র বিশ্বাসকে আওয়ামী লীগ আমলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যতম প্রভাবশালী ও দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের সাথে জড়িত বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও তিনি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন এবং ঘুরে ফিরে ঢাকার এক ডিভিশন থেকে আরেক ডিভিশনে বদলি হয়েও ঢাকাতেই অবস্থান করছেন।প্রভাবশালী লবিং: সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হওয়ায় বিগত সরকারের প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের প্রভাবে তিনি ‘প্রাইজ পোস্টিং’ বাগিয়ে নিতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।কর্মস্থল: নথিপত্র অনুযায়ী, তিনি গণপূর্ত ই/এম ডিজাইন সার্কেল, ঢাকার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন


তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে পাশের দেশ ভারতে পাচার করেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ভারতের কলকাতার রাজারহাট নিউ টাউন এলাকায় তার একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে।এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় তার বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের গুঞ্জন বা অভিযোগ রয়েছে।ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট: শেখর চন্দ্র বিশ্বাসের স্থায়ী বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায় হলেও তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ঢাকাতেই তার নামে ও বেনামে একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।নামে-বেনামে বিনিয়োগ: দুর্নীতি ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ তিনি দেশে বিভিন্ন ব্যবসায় নামে এবং বেনামে বিনিয়োগ করেছেন।


গণপূতের ক্রয় কমিটিতে তালিকাভুক্তির জন্য ই/এম বিভাগের ৩ কর্মকর্তার ৩ ফ্ল্যাট ও নগদ ৩ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহনের  অভিযোগ 


গণপূর্ত অভিদপ্তর রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দায়িত্বপ্র্রাপ্ত  একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা । কিন্তু এই সংস্থাটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতি ও অনিয়মমের অভিযোগ আলোচিত ।  তবে সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে পাওয়া নথি মাঠপর্যায়ের ব্যস্তবতার ও অডিট রিপোর্ট বিশ্লেষণে যে চিক্র
 
উঠে এসেছে, তা কেবল অনিয়ম নয়, বরং একটি সুসংগঠিত, পরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের ভয়ানজির স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠনের পরিনত হয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্ত।
রাষ্টের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন হলেও গণপূর্ত অভিদপ্তরের দুনীর্তিবাজ কর্মকর্তাদের ভিতর ন্যূনতম অনুশোচনা ও নীতিগত কোন পরিবর্তন অদ্যবধি হয়নি । চলতি ২৬-২৭ বছরের জুন মাস আসতে না আসতেই কেনাকাটা ও দরপত্র শিডিউলের সাথে সম্পূত কর্মতকর্তাদের ।

দুনীর্তিবাজ কর্মকর্তাদের কাছে এই সময়টা হচ্ছে মধু মাস । বিভিন্ন  পণ্য সরবারাহকারী প্রতিষ্ঠান তাদের আমদানিকৃত অথবা উৎপাদনকৃত পণ্য যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। তা তালিকাভুক্ত করার জন্য ক্রয় কমিটির কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়ে থাকে। 
চলতি অর্থবছরে জুন মাসের সিডিউল অনুমোদন করানোর জন্য। প্রাণ  আর এফ এল গ্রুপ কে কোন কাগজ পত্র্র যাচাই বাচাই করা ছাড়াই তালিকাভুক্ত করেন  গণপূর্ত অধিদপ্তরে তিন কর্মকর্তা নগদ ৩ কোটি টাকা ও ৩ টা ফ্ল্যাট বিসনময়ে ।  তারা হচ্ছেন ,অতিরিক্ত প্রধান 

প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল হক এবং মোঃ আলমগীর খান , তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র মন্ডল । সুত্রে মতে  ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের  ই/এম শাখার কেনাকাটা সংক্রান্ত ক্রয় কমিটিতে এই তিন জন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায়।

একাধিক বিশ্বস্ত সুত্রমতে ,উল্লেখ্য যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের  নিম্নমানের পণ্য অন্তর্ভূক্তি এই বারই নতুন না । গণপূর্ত অধিদপ্তরের  প্রতিটি দরপত্রের কার্যাদেশেই সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীগন পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহন করে। 
 তেমনি একটা নতুন কোম্পানি প্রাণ আর এফ এল গ্রুপ তারা লিফট সরবরাহ করার জন্য নতুন অর্থবছরের জন্য তালিকাভুক্ত হয় টাকার বিনিময়ে। যার পিছনের সকল তালিকাভূক্ত কোম্পানি এখন আর লিফট সরবরাহ করতে পারবে না । প্রকল্প পরিচালক সংশ্লিষ্ট 
প্রকৌশলীগন নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়সনর মাধ্যমে অবৈধ টাকার বাড়ি, গাড়ী ফ্ল্যাটসহ নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন।

তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র মন্ডল

গণপূর্ত অধিদপ্তরের  তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র মন্ডল  এর ব্যাপক  অনিয়ম,দুনীর্তি টেন্ডার বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া  যায় ।
তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র মন্ডল  তারে নামে ঢাকা মোহাম্মদপুর মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি রোড় ৯ বাসা নং ৫/৭ এ    একটা আলিশান বাড়ীর  মালিক , মালিবাগ , ধানমন্ডি এবং বসুন্ধরা  সহ ঢাকাতে অনেক আলিশান ফ্ল্যাটের মালিক তিনি নিজেই ।


পরিশেষে এই কথা বলাই বাহুল্য যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের যে কয়েকজন প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রয়েছেন, তাদের মধ্যে আশরাফুল হক ,মোঃ আলমগীর খান এবং  শেখর চন্দ্র মন্ডল ।

চলমান পর্ব .........

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ