ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ , ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোম্পানির নাম গোল্ড স্টার বিল্ডার্স এন্ড লিমিটেড"

"অভিযোগের শেষ নেই, তবুও থামছে না অনিয়ম: কার ছত্রচ্ছায়ায় চলছে নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ?" ।

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৮-০৬-২০২৬ ০৬:২৩:৪০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৮-০৬-২০২৬ ০৬:২৩:৪০ অপরাহ্ন
"অভিযোগের শেষ নেই, তবুও থামছে না অনিয়ম: কার ছত্রচ্ছায়ায় চলছে নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ?" ।




রাজধানীতে অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত ভবনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বারবার জানিয়ে আসছে রাজউক।

 নকশা লঙ্ঘনকারী ভবনের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান, জরিমানা এবং ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।

 কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, এত কড়াকড়ির পরও কীভাবে কিছু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর ধরে নকশা অমান্য করে ভবন নির্মাণের সুযোগ পাচ্ছে? রাজউক নিজেই জানিয়েছে, রাজধানীতে হাজার হাজার নির্মাণাধীন ভবনে নকশা লঙ্ঘনের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। 


অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর ধানমন্ডি, এলিফ্যান্ট রোড, নবাবপুর ও কমলাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। 

অভিযোগকারীদের দাবি, অনুমোদিত নকশা অনুসরণ না করে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ,। সেটব্যাক না মানা এবং অন্যান্য নির্মাণ বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, রাজউকের অনুমোদিত নকশা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ উঠেছে, অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব হয়। 

"রাজউক একদিকে নকশা লঙ্ঘনকারী ভবনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছে, অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে কিছু এলাকায় বছরের পর বছর ধরে চলমান প্রকল্পগুলোতে অনিয়মের পরও কাজ বন্ধ হচ্ছে না। 

প্রশ্ন হলো—তদারকির দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর চোখ এড়িয়ে এসব কাজ কীভাবে চলছে, আর এর দায় নেবে কে?"

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, রাজউকের সংশ্লিষ্ট জোনের কর্মকর্তাদের মতামত এবং অনুমোদিত নকশার কপি সংগ্রহ করে যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে। 
জনস্বার্থে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না।

রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেনঃ

, ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এর ধারা-৩ ও ১১ ভঙ্গ করায় ভবনটি আইনিভাবে একটি সম্পূর্ণ অবৈধ স্থাপনা। যেকোনো মুহূর্তে রাজউকের উচ্ছেদ সেল এই ভবনের অবৈধ অংশ বা পুরো ভবনটি গুঁড়িয়ে দিতে পারে।


নির্মাণ কোম্পানির সাথে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ