জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৯-০৭-২০২৬ ০১:২৬:৪৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৯-০৭-২০২৬ ০১:২৬:৪৫ অপরাহ্ন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
“একাত্তরের ঐক্যের চেতনার কথা বলে যারা দীর্ঘদিন দেশকে বিভক্ত করেছে, দমন-পীড়ন চালিয়েছে এবং জনগণের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে, তারাই আজ দেশ ছেড়ে দিল্লিতে অবস্থান করছে” যারা বিভাজনের কথা বলে তারা দেশের উন্নয়নের শত্রু — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের এমন বক্তব্যকে স্বাগত ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য যদি তাঁর প্রকৃত রাজনৈতিক ও নীতিগত অবস্থানের প্রতিফলন হয়ে থাকে, তবে তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিহিংসা, বিভাজন এবং জনগণকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর রাজনীতি থেকে রাষ্ট্রকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে।
অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, বিগত সরকারের আমলে “ডিভাইড অ্যান্ড রুল” বা বিভক্ত করে শাসনের নীতি অত্যন্ত প্রকট হয়ে উঠেছিল। রাজনৈতিক মতভেদ, ধর্মীয় পরিচয়, সামাজিক অবস্থান ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল। বিরোধী মত দমন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের কারণে দেশে ভীতি, অনাস্থা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এই বিভাজনমূলক নীতির পরিণতিতে রাজনৈতিক নেতা, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবসহ বহু মানুষকে দেশত্যাগ করতে হয়েছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতাদর্শের কারণে দেশছাড়া করা নয়।
তিনি বলেন, ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যে বিভাজনের রাজনীতি সাময়িকভাবে কোনো সরকারকে সুবিধা দিলেও শেষ পর্যন্ত তা দেশ, সরকার এবং জনগণ সবার জন্যই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। তাই বর্তমান সরকারকে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধের পরিবর্তে ন্যায়বিচার, বৈষম্যের পরিবর্তে সমতা এবং বিভাজনের পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ছিল গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা। এই চেতনাকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। একাত্তরের চেতনাকে সামনে রেখে যারা জনগণকে বিভক্ত করেছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঠিক মূল্যায়ন ইতিহাস ও জনগণই করবে।
রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না
ও নাসরিন আক্তার তরফদার বলেন
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, আলেম-ওলামা, পেশাজীবী, প্রবাসী এবং সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
এম. এ. রউফ, কাতারসদস্য সচিব বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ নির্যাতিত হবে না, মত প্রকাশের কারণে কেউ দেশত্যাগে বাধ্য হবে না এবং ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ঐক্য, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দেশ গড়াই বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।”
বার্তা প্রেরক:অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
এম. এ. রউফ, কাতার সদস্য সচিব আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স