ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ , ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে পালানো সময় চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন সহ ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার।

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০৬:৫৭:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০৬:৫৭:২৫ অপরাহ্ন
ভারতে পালানো সময় চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন সহ ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার।
আঃজলিল,স্টাফ রিপোর্টার:------ ভারত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় যশোর থেকে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে (২৫) তাঁর তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) ভোর রাতে যশোর শহরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানার যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। যশোর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পাঠোনো অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে আজ ভোর পৌনে চারটার দিকে ডিবি ও থানা পুলিশের ৯টি বিশেষ টিম ঝুমঝুমপুর এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমন ও তাঁর সহযোগীরা যশোরে অবস্থান নিচ্ছিলেন। আটকের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য তিন সহযোগী হলেন—ঢাকার শ্যামপুর থানার জুরাইন এলাকার আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫), কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের অধিবাসী ও ঢাকার মতিঝিল এলাকার বাসিন্দা মো. শামিম (২৮) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বাসিন্দা ও যাত্রাবাড়ী গোলাপবাগ এলাকার মো. সাফায়েত হোসেন (২৮)। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর গ্রামের মৃত মো. মুসার ছেলে। তিনি বিদেশে পলাতক চট্টগ্রামের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে ‘বড় সাজ্জাদ’ বাহিনীর অন্যতম প্রধান অস্ত্রধারী ও শুটার। ২০২৫ সালের মার্চে বাকলিয়ার আলোচিত জোড়া খুন এবং মে মাসে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ অন্তত ১৫টি মামলার আসামি ইমন। পুলিশের কাছে থাকা তথ্য মতে, তাঁর বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার সক্রিয় রয়েছে এবং তিনি নিজে ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র পরিচালনায় দক্ষ। ইমনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, হুমকি এবং সশস্ত্র হামলা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ‘ছোট সাজ্জাদ’ বর্তমানে কারাগারে থাকায় ইমন ও তাঁর অন্য এক সহযোগী মোহাম্মদ রায়হান চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। যশোরে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এই শীর্ষ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একটি বড় নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। প্রেরক, আঃজলিল স্টাফ রিপোর্টার

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ