ফতুল্লায় বিএনপি নেতার ফেনসিডিল সেবন ও জুয়ার ছবি ভাইরাল
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১১-০৮-২০২৬ ০২:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১১-০৮-২০২৬ ০২:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মন্ডলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফেনসিডিল সেবন ও জুয়া খেলার দুটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
যদিও ছবিগুলো পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে, তবু একজন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরিফ মন্ডল পারিবারিকভাবেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ছাত্রদলের ইউনিয়ন সভাপতি হিসেবে রাজনীতি শুরু করে পরে যুবদলের সভাপতি হন তিনি। পরবর্তীতে যুবদলের সাংগঠনিক ধাপ অতিক্রম না করেই কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান বলে জানা গেছে।
এর আগে তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও উঠেছিল। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে একবার ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তিনি বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
সচেতন মহলের দাবি, একজন রাজনৈতিক নেতা নিজেই মাদক সেবন ও জুয়া খেলার মতো সামাজিক ব্যাধির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তা সমাজে নেতিবাচক বার্তা দেয়। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিএনপির উচিত দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়ে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করা।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, ছবিগুলো আমার নজরে আসেনি। যদি কোনো নেতা ব্যক্তিগতভাবে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, তার দায় দল নেবে না। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে ফতুল্লা থানা বিএনপি প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল এবং মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি জুয়া বিরোধী নতুন আইনও জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। তাই দলের কেউ এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আরিফ মন্ডলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স