ফুয়াদ হাসান আকন্দের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রকৃত সত্য প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভিত্তিহীন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রকৃত সত্য প্ৰকাশ কর্মক্ষেত্রে অসাধারণ স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদর্শ কর্মচারী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-১২ এর কর্মচারী ফুয়াদ হাসান আকন্দকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে ২০১৯ সালে চাকরিতে যোগদান সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যা কর অঞ্চল-১২ এর তথ্য মতে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর কর অঞ্চল-১২তে যোগদান করেছন নথিপত্রে প্রমান পাওয়া যায়। চাকরিতে যোগদানের পর থেকে ফুয়াদ হাসান আকন্দ তাঁর মেধা, পরিশ্রম ও সততার জন্য সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট সমাদৃত হয়ে আসছেন। কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি সরকারী আইন-কানুন ও বিধি-বিধান কঠোরভাবে মেনে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা এবং রাজস্ব আদায়ে বিশেষ অবদানের কারণে তিনি দফতরে একজন আদর্শ ও দক্ষ কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃত।
সততা ও স্বচ্ছতা নিয়মিত আয়কর বিবরণী প্রদান এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ উপায়ে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব যথাযথ কর্তৃপক্ষে জমা রয়েছে, পেশাগত সাফল্য রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি মুক্ত সেবা প্রদানে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভূমিকা কর অঞ্চলের নিয়োগ প্রক্রিয়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পিএসসি ও কর অঞ্চলের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এতে ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড কর্মক্ষেত্রের বাইরে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সুপরিচিত ও প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব। একটি সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ফুয়াদ হাসান আকন্দ সর্বদা দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এতে একটি অসাধু চক্র তাঁদের অনৈতিক সুবিধা হাসিলে ব্যর্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো শুরু করে। তথাকথিত "অর্ধশত কোটি টাকার মালিক" বা "নিয়োগ বাণিজ্যের" যে বানোয়াট কথা রটানো হয়েছে, তার পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে চক্রটি।
সহকর্মী ও কর্তৃপক্ষের যৌথ বক্তব্যে বলা হয়েছে, ফুয়াদ হাসান আকন্দ একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও বিনয়ী কর্মচারী। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত হলুদ সাংবাদিকতা ও ভিত্তিহীন সংবাদের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যাচাই-বাছাইহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খবর প্রকাশ করে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মচারীর সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা আইনিভাবে মোকাবিলা করা হবে। সত্যের জয় সর্বদা অনিবার্য এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই অপপ্রচারের মূল হোতাদের মুখোস উন্মোচিত হবে।