জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অভিযান চালিয়ে ২১ বোতল মদ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতেছবি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হলের ৭২৩ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য রয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে হল প্রশাসন। এ সময় হল সংসদের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে বিছানার নিচ থেকে মোট ২১ বোতল মদ জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী এসব মাদকদ্রব্য জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফজলে আজওয়াদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মদ ব্যবসায়ী না। থার্টি ফার্স্ট নাইটে বন্ধুবান্ধব নিয়ে পার্টি করার জন্য মদগুলো আনা হয়েছিল। তবে হঠাৎ এক বন্ধুর বাবা মারা যাওয়ায় পার্টিটা করা সম্ভব হয়নি। সে জন্য রুমেই রাখা ছিল।’
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা রাতে ওই কক্ষে অভিযান চালিয়ে টেবিলের লকার খুলে বেশ কয়েক বোতল মদ জব্দ করি। পরে বিছানার নিচে তল্লাশি চালিয়ে আরও কয়েক বোতল মদ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী এসব মাদকদ্রব্য জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি যেহেতু এই হলের আবাসিক নন, তাই আমরা মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরাই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
শিক্ষার্থীরা জানান, অভিযুক্ত আজওয়াদ গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মীর মশাররফ হোসেন হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে সমাজসেবা সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন। তবে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে নির্বাচন করলেও অভিযুক্ত ছাত্রদলের কর্মী নন বলে দাবি করেছে শাখা ছাত্রদল।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল থেকে ২১ বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে হলের ৭২৩ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে এসব মদ জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফজলে আজওয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫২তম ব্যাচের (তৃতীয় বর্ষ) শিক্ষার্থী। তিনি মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে অবস্থান করছিলেন।