আড়াইহাজারের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ। আওয়ামী লীগের পদধারী নেতারা বিএনপিতে, চলছে গুঞ্জন।
জানা গেছে গত মঙ্গলবার রাতে,মাহমুদপুর ইউনিয়নের আমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে উপজেলার আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ গোপালদী ও আড়াইহাজার পৌরসভার সদ্য সাবেক মেয়র, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল, গোপালদী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, গোপালদী পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি সহ অনেক নেতারা বিএনপির প্রার্থীর সাথে দেখা করার জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দ্বারস্থ হয়, তার পর তারা সাক্ষাৎ পায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর।
একপর্যায়ে তারা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন এবং মার্কা পাওয়ার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তারা নিজেদের মতো কাজ করবে বলে স্বীকার করে। ঐ সময়কার উপস্থিত এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে,এ সময় গোপালদী পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি আঃ লতিফ মোল্লা, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সাথে কথা বলার একটি সুযোগে তিনি সাবেক সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ পেশ করেন এবং বেশ কয়েকবার কান্না কাটি করে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং বিএনপির প্রার্থীর ধমকে তার কান্না শেষ হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্বস্ত সূত্র।
সে কারনে বর্তমান বিএনপি মধ্যে চরম আলোচনা ,সমালোচনা হচ্ছে বলে জানা যায়।
জানা গেছে গত মঙ্গলবার রাতে,মাহমুদপুর ইউনিয়নের আমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে উপজেলার আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ গোপালদী ও আড়াইহাজার পৌরসভার সদ্য সাবেক মেয়র, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল, গোপালদী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, গোপালদী পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি সহ অনেক নেতারা বিএনপির প্রার্থীর সাথে দেখা করার জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দ্বারস্থ হয়, তার পর তারা সাক্ষাৎ পায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর।
একপর্যায়ে তারা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন এবং মার্কা পাওয়ার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তারা নিজেদের মতো কাজ করবে বলে স্বীকার করে। ঐ সময়কার উপস্থিত এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে,এ সময় গোপালদী পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি আঃ লতিফ মোল্লা, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সাথে কথা বলার একটি সুযোগে তিনি সাবেক সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ পেশ করেন এবং বেশ কয়েকবার কান্না কাটি করে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং বিএনপির প্রার্থীর ধমকে তার কান্না শেষ হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্বস্ত সূত্র।
সে কারনে বর্তমান বিএনপি মধ্যে চরম আলোচনা ,সমালোচনা হচ্ছে বলে জানা যায়।