এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর আলোচনা নাকচ করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, আমরা এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত আছি। এসএসসি পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ীই হবে।
তিনি আরো বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তারিখ এখনো হয়নি। তাই পেছানোর প্রশ্ন আসছে না। এইচএসসির ফরম ফিলআপ ১ মার্চ থেকে শুরু হবে। এই পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের সময় এখনো আসেনি। আর একটু পরে।
জানা গেছে, শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ২১ এপ্রিল এ পরীক্ষা শুরু হবে। আর শেষ হবে ২০ মে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
রুটিনে বলা হয়েছে, ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বরফর্দ এবং ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।
সঙ্গীত বিষয়ের সঙ্গীত অংশের ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র, নিবন্ধনপত্র, বাদ্যযন্ত্র, তবলাবাদক ও শনাক্তকারী শিক্ষকসহ নিজ খরচে নির্ধারিত তারিখে সকাল সাড়ে ৯ টার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য শুধু ব্যবহারিক উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে। কোনোক্রমেই তত্ত্বীয় পরীক্ষার মূল উত্তরপত্র ব্যবহার করা যাবে না।
বিশেষ নির্দেশাবলি: পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে তিনদিন আগে সংগ্রহ করবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।