ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন একটি সেবা ধর্মী সংস্থা। এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই সংস্থাটি নির্দিষ্ট বিধিবিধান মেনে চলবে, সেটাই ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা।
কিন্তু সুষ্ঠু তদারকির অভাবে এবং অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে ইদানিং ডিএসসিসির অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত এক বছর যাবত সদ্য পদত্যাগকারী স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিজস্ব লোক পরিচয় দানকারী এনসিপির একটি সিন্ডিকেট সকল টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে। তাদের সাথে ছিল ডিএসসিসির কিছু কর্মকর্তাসহ বর্তমান সিইও জহিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোক হিসাবে পরিচিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ঠিকাদার আহসানুল্লাহ বাশার।
ঠিকাদার আহসানুল্লাহ বাশার ডিএসসিসির সিইও জহিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তিনি প্রায় প্রতিদিন নগরভবনে অবস্থান করেন সিইও সাহেবের স্টাফ অফিসারের জন্য নির্ধারিত অফিস কক্ষে। সেখানেই তিনি খাওয়া দাওয়া, অন্য ঠিকাদারদের নিয়ে আড্ডা, ঠিকাদারী কাজের হিসাব পত্র, উন্নয়ন কাজের তদবির, ডিএসসিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের বদলী ও পদোন্নতির জন্য তদবির বানিজ্য ইত্যাদি কাজ করেন।
ঠিকাদার বাশার পুরো নগরভবনে বলে বেড়ান যে, তিনিই নাকি বর্তমান সিইও জহিরুল ইসলাম কে বদলী করিয়ে নগরভবনে এনেছেন। এই কথা নগরভবনের প্রায় সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ জানেন। তাই একজন ঠিকাদার ও সিন্ডিকেটকে সমীহ করে চলতে হচ্ছে বলে অন্যান্য ঠিকাদারগণ থেকে জানা যায়।
এসব সিন্ডিকেট নিয়ে নগরভবনে বেশ সমালোচনা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে, কিন্তু কোন এক অদৃশ্য খুটির জোরে সিইও জহিরুল ইসলাম এসব সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না। এছাড়া একজন সিইওর জন্য সিটি কর্পোরেশন হতে গাড়ি বরাদ্দ থাকে একটি, কিন্তু বর্তমান সিইও জহিরুল সাহেব এক সাথে দুইটি গাড়ি ব্যবহার করেন বলে জানা যায়। একটি গাড়ি তিনি অফিসে ব্যবহার করেন, অন্যটি তার বাসার লোকদের জন্য ব্যবহার করা হয়।
নগরভবন ও অন্যান্য জোনাল এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারগুলো প্রভাব খাটিয়ে বাসার সিন্ডিকেট পেয়ে যাচ্ছে। যদি কোন প্রকৌশলী এই সিন্ডিকেটের কথা না শুনে, তাহলে তাকে শাস্তিমূলক বদলী হতে হয়েছে। যেমন কিছুদিন পূর্বে বাসার সিন্ডিকেটের কথা অনুযায়ী সুবিধা না দেওয়ায় এই সিন্ডিকেট নির্বাহী প্রকৌশলী খলিলুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তিমূলক বদলী করে নগরভবনে পদায়ন করিয়েছে সিইও সাহেবের প্রভাব ব্যবহার করে।
গত এক বছরের সিন্ডিকেট কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে প্রভাব খাটানোর খতিয়ান ভয়াবহ। এখনো বার্ষিক বর্জ্য পরিষ্কার কাজের প্রায় একশতটি কাজের টেন্ডার হয়েছে। এর মধ্যে প্রভাব খাটিয়ে অনেকগুলো কাজ পেয়েছে বর্তমান ঠিকাদার বাসার সিন্ডিকেট। ঠিকাদার বাসারের প্রতিষ্ঠান তাহিয়া কর্পোরেশনের নামে ৬৭ ওয়ার্ডের কাজ পেয়েছে।
এছাড়া ওয়ার্ড নং ৫১, ৫৪, ৬৬, ৬৮ এর কাজসহ আরও ৪০টি কাজ এই সিন্ডিকেট প্রভাব খাটিয়ে পেয়েছে। জানা যায়, সিইও সাহেবের স্টাফ অফিসারের অফিস কক্ষে অবস্থান করে ঠিকাদার বাশার যখন তখন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সিইওর অফিসে ডেকে এনে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব খাটানো হয়। এভাবেই সিইও জহিরুল ইসলাম সাহেবের প্রভাব খাটিয়ে নগরভবনের কাজের টেন্ডার বাগিয়ে নিচ্ছেন এই সিন্ডিকেট। রক্ষকরা আজ ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছে। এই কারণে নগরভবনের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের মধ্যে এক প্রকারের চাপা ক্ষোভ ও আতংক বিরাজ করতেছে। নগরবাসী কোন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নয়, তারা নগরের উন্নয়ন সরকারি নিয়ম নীতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন চায়।
কিন্তু সুষ্ঠু তদারকির অভাবে এবং অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে ইদানিং ডিএসসিসির অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত এক বছর যাবত সদ্য পদত্যাগকারী স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিজস্ব লোক পরিচয় দানকারী এনসিপির একটি সিন্ডিকেট সকল টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে। তাদের সাথে ছিল ডিএসসিসির কিছু কর্মকর্তাসহ বর্তমান সিইও জহিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোক হিসাবে পরিচিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ঠিকাদার আহসানুল্লাহ বাশার।
ঠিকাদার আহসানুল্লাহ বাশার ডিএসসিসির সিইও জহিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তিনি প্রায় প্রতিদিন নগরভবনে অবস্থান করেন সিইও সাহেবের স্টাফ অফিসারের জন্য নির্ধারিত অফিস কক্ষে। সেখানেই তিনি খাওয়া দাওয়া, অন্য ঠিকাদারদের নিয়ে আড্ডা, ঠিকাদারী কাজের হিসাব পত্র, উন্নয়ন কাজের তদবির, ডিএসসিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের বদলী ও পদোন্নতির জন্য তদবির বানিজ্য ইত্যাদি কাজ করেন।
ঠিকাদার বাশার পুরো নগরভবনে বলে বেড়ান যে, তিনিই নাকি বর্তমান সিইও জহিরুল ইসলাম কে বদলী করিয়ে নগরভবনে এনেছেন। এই কথা নগরভবনের প্রায় সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ জানেন। তাই একজন ঠিকাদার ও সিন্ডিকেটকে সমীহ করে চলতে হচ্ছে বলে অন্যান্য ঠিকাদারগণ থেকে জানা যায়।
এসব সিন্ডিকেট নিয়ে নগরভবনে বেশ সমালোচনা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে, কিন্তু কোন এক অদৃশ্য খুটির জোরে সিইও জহিরুল ইসলাম এসব সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না। এছাড়া একজন সিইওর জন্য সিটি কর্পোরেশন হতে গাড়ি বরাদ্দ থাকে একটি, কিন্তু বর্তমান সিইও জহিরুল সাহেব এক সাথে দুইটি গাড়ি ব্যবহার করেন বলে জানা যায়। একটি গাড়ি তিনি অফিসে ব্যবহার করেন, অন্যটি তার বাসার লোকদের জন্য ব্যবহার করা হয়।
নগরভবন ও অন্যান্য জোনাল এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারগুলো প্রভাব খাটিয়ে বাসার সিন্ডিকেট পেয়ে যাচ্ছে। যদি কোন প্রকৌশলী এই সিন্ডিকেটের কথা না শুনে, তাহলে তাকে শাস্তিমূলক বদলী হতে হয়েছে। যেমন কিছুদিন পূর্বে বাসার সিন্ডিকেটের কথা অনুযায়ী সুবিধা না দেওয়ায় এই সিন্ডিকেট নির্বাহী প্রকৌশলী খলিলুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তিমূলক বদলী করে নগরভবনে পদায়ন করিয়েছে সিইও সাহেবের প্রভাব ব্যবহার করে।
গত এক বছরের সিন্ডিকেট কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে প্রভাব খাটানোর খতিয়ান ভয়াবহ। এখনো বার্ষিক বর্জ্য পরিষ্কার কাজের প্রায় একশতটি কাজের টেন্ডার হয়েছে। এর মধ্যে প্রভাব খাটিয়ে অনেকগুলো কাজ পেয়েছে বর্তমান ঠিকাদার বাসার সিন্ডিকেট। ঠিকাদার বাসারের প্রতিষ্ঠান তাহিয়া কর্পোরেশনের নামে ৬৭ ওয়ার্ডের কাজ পেয়েছে।
এছাড়া ওয়ার্ড নং ৫১, ৫৪, ৬৬, ৬৮ এর কাজসহ আরও ৪০টি কাজ এই সিন্ডিকেট প্রভাব খাটিয়ে পেয়েছে। জানা যায়, সিইও সাহেবের স্টাফ অফিসারের অফিস কক্ষে অবস্থান করে ঠিকাদার বাশার যখন তখন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সিইওর অফিসে ডেকে এনে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব খাটানো হয়। এভাবেই সিইও জহিরুল ইসলাম সাহেবের প্রভাব খাটিয়ে নগরভবনের কাজের টেন্ডার বাগিয়ে নিচ্ছেন এই সিন্ডিকেট। রক্ষকরা আজ ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছে। এই কারণে নগরভবনের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের মধ্যে এক প্রকারের চাপা ক্ষোভ ও আতংক বিরাজ করতেছে। নগরবাসী কোন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নয়, তারা নগরের উন্নয়ন সরকারি নিয়ম নীতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন চায়।