গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম বিভাগ-11, ঢাকা, দীর্ঘদিন ধরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ বিভাগের কার্যক্রমে দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুসারে, তিনি প্রতিটি প্রকল্প ও কাজ থেকে ৫% ঘুষ নেন এবং যারা ঘুষ দিতে অস্বীকার করেন, তাদের ফাইলে কোনও স্বাক্ষর বা অনুমোদন দেন না। এর ফলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ব্যাহত হয় এবং প্রকল্পগুলো শিথিল হয়ে পড়ে।
সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সময়মতো সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহৃত না হলে তা শুধু সরকারি খাতেই ক্ষতি ঘটায় না, বরং সাধারণ মানুষের আস্থাও হ্রাস পায়। অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ শরিফুল ইসলাম এই দায়িত্বের অপব্যবহার করে সরকারি অর্থের সরাসরি ক্ষতি করছেন। প্রকল্পের বিল এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যদি সময়মতো অনুমোদিত না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ স্থগিত বা ধীরগতি হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না, বরং বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলে।
উল্লেখযোগ্য যে, সরকারি প্রকল্পের সময়মতো সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। যেমন, রাস্তা, সেতু, পানিসম্পদ ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিলম্ব স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধা সৃষ্টি করে। স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পও প্রভাবিত হয়। একজন নির্বাহী প্রকৌশলী যদি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষের মাধ্যমে নথি ও বিল আটকে রাখেন, তাহলে তা সবার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
ঘুষ নেওয়ার প্রক্রিয়া সাধারণত সরাসরি অর্থের মাধ্যমে হয়। প্রকৌশলী শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেন, অর্থাৎ কেউ যদি তার চাহিদা পূরণ না করে, তবে তার ফাইলটি আটকে রাখা হয়। এতে প্রকল্পের ঠিকাদার, সরবরাহকারী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের ক্ষতি হয়। ঠিকাদাররা কাজ শেষ করেও অর্থ পান না, সরবরাহকারীরা বিল পায় না এবং প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে বিলম্ব ঘটে। এর ফলশ্রুতিতে, সরকারি অর্থের অপচয় হয় এবং জনগণের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়।
এ ধরনের অনিয়ম কেবল অর্থনৈতিক প্রভাবই ফেলে না, বরং প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাসনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো সংস্থা যেখানে সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য দায়বদ্ধ, সেখানে এই ধরনের ব্যক্তিগত স্বার্থমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠানকে অযোগ্য ও অমর্যাদাপূর্ণ প্রমাণ করে। ফলস্বরূপ, সাধারণ জনগণের সরকারি প্রকল্পে আস্থা ক্ষুণ্ণ হয় এবং দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র বিভিন্ন আইন ও নীতি প্রণয়ন করেছে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নিয়মানুবর্তিতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, যারা ক্ষমতাসীন, তারা নিয়মের বাইরে চলে। মোঃ শরিফুল ইসলাম এর ক্ষেত্রে অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যে প্রতিটি কাজ থেকে ৫% ঘুষ নেন এবং ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখেন, তা প্রমাণ করে যে সরকারি ব্যবস্থার দুর্বলতা ও তদারকির অভাব রয়েছে।
এই সমস্যার প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়। এটি সামাজিক ও নৈতিক দিক থেকেও ভয়ঙ্কর। যখন একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে, তখন কর্মক্ষেত্রে সততা ও নৈতিকতার মান হ্রাস পায়। তরুণ প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মীরা অনুপ্রেরণা হারায় এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের আচরণকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে একটি সংস্কৃতি গড়ে ওঠে যেখানে দুর্নীতি এবং স্বার্থপরতা স্বীকৃত এবং বৈধ হয়ে যায়।
সরকারি অর্থের ক্ষতি ছাড়াও, প্রকল্পের বিলম্ব জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতুর মতো অবকাঠামো প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে সময়মতো না তৈরি হলে স্থানীয় জনগণ দারুণ অসুবিধার মুখোমুখি হয়। বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য এটি মারাত্মক। সরকারি অর্থ অপচয় হলে, দেশে নতুন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ কমে যায় এবং বিদ্যমান প্রকল্পও ব্যাহত হয়।
এই ধরনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত মনিটরিং, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়িত্বশীলতার মানদণ্ড স্থাপন প্রয়োজন। এছাড়া, সরকারি প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল মনিটরিং ও অনলাইন ফাইল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।
পরিশেষে বলা যায়, মোঃ শরিফুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-11, ঢাকার কর্মকাণ্ড দেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। তার প্রতিটি কাজে ঘুষ নেওয়া এবং ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখা কেবল অর্থের ক্ষতি করে না, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনগণের আস্থা নষ্ট করে। এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে, দেশের সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রভাবিত হবে।
সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সময়মতো সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহৃত না হলে তা শুধু সরকারি খাতেই ক্ষতি ঘটায় না, বরং সাধারণ মানুষের আস্থাও হ্রাস পায়। অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ শরিফুল ইসলাম এই দায়িত্বের অপব্যবহার করে সরকারি অর্থের সরাসরি ক্ষতি করছেন। প্রকল্পের বিল এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যদি সময়মতো অনুমোদিত না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ স্থগিত বা ধীরগতি হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না, বরং বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলে।
উল্লেখযোগ্য যে, সরকারি প্রকল্পের সময়মতো সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। যেমন, রাস্তা, সেতু, পানিসম্পদ ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিলম্ব স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধা সৃষ্টি করে। স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পও প্রভাবিত হয়। একজন নির্বাহী প্রকৌশলী যদি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষের মাধ্যমে নথি ও বিল আটকে রাখেন, তাহলে তা সবার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
ঘুষ নেওয়ার প্রক্রিয়া সাধারণত সরাসরি অর্থের মাধ্যমে হয়। প্রকৌশলী শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেন, অর্থাৎ কেউ যদি তার চাহিদা পূরণ না করে, তবে তার ফাইলটি আটকে রাখা হয়। এতে প্রকল্পের ঠিকাদার, সরবরাহকারী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের ক্ষতি হয়। ঠিকাদাররা কাজ শেষ করেও অর্থ পান না, সরবরাহকারীরা বিল পায় না এবং প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে বিলম্ব ঘটে। এর ফলশ্রুতিতে, সরকারি অর্থের অপচয় হয় এবং জনগণের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়।
এ ধরনের অনিয়ম কেবল অর্থনৈতিক প্রভাবই ফেলে না, বরং প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাসনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো সংস্থা যেখানে সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য দায়বদ্ধ, সেখানে এই ধরনের ব্যক্তিগত স্বার্থমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠানকে অযোগ্য ও অমর্যাদাপূর্ণ প্রমাণ করে। ফলস্বরূপ, সাধারণ জনগণের সরকারি প্রকল্পে আস্থা ক্ষুণ্ণ হয় এবং দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র বিভিন্ন আইন ও নীতি প্রণয়ন করেছে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নিয়মানুবর্তিতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, যারা ক্ষমতাসীন, তারা নিয়মের বাইরে চলে। মোঃ শরিফুল ইসলাম এর ক্ষেত্রে অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যে প্রতিটি কাজ থেকে ৫% ঘুষ নেন এবং ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখেন, তা প্রমাণ করে যে সরকারি ব্যবস্থার দুর্বলতা ও তদারকির অভাব রয়েছে।
এই সমস্যার প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়। এটি সামাজিক ও নৈতিক দিক থেকেও ভয়ঙ্কর। যখন একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে, তখন কর্মক্ষেত্রে সততা ও নৈতিকতার মান হ্রাস পায়। তরুণ প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মীরা অনুপ্রেরণা হারায় এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের আচরণকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে একটি সংস্কৃতি গড়ে ওঠে যেখানে দুর্নীতি এবং স্বার্থপরতা স্বীকৃত এবং বৈধ হয়ে যায়।
সরকারি অর্থের ক্ষতি ছাড়াও, প্রকল্পের বিলম্ব জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতুর মতো অবকাঠামো প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে সময়মতো না তৈরি হলে স্থানীয় জনগণ দারুণ অসুবিধার মুখোমুখি হয়। বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য এটি মারাত্মক। সরকারি অর্থ অপচয় হলে, দেশে নতুন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ কমে যায় এবং বিদ্যমান প্রকল্পও ব্যাহত হয়।
এই ধরনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত মনিটরিং, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়িত্বশীলতার মানদণ্ড স্থাপন প্রয়োজন। এছাড়া, সরকারি প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল মনিটরিং ও অনলাইন ফাইল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।
পরিশেষে বলা যায়, মোঃ শরিফুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-11, ঢাকার কর্মকাণ্ড দেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। তার প্রতিটি কাজে ঘুষ নেওয়া এবং ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখা কেবল অর্থের ক্ষতি করে না, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনগণের আস্থা নষ্ট করে। এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে, দেশের সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রভাবিত হবে।