দীর্ঘদিন ধরেই নাটকে অভিনয় করছেন রাশেদ সীমান্ত। বর্তমানে ছোট পর্দায় নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন তিনি। রাশেদ সীমান্তর নাটক মানেই বিনোদনের মধ্য দিয়ে এক সামাজিক বার্তা- দর্শক এমনটাই মনে করে থাকেন। তাই দিন দিন এ অভিনেতার জনপ্রিয়তাও বেড়ে চলেছে। আজ রাশেদ সীমান্তর জন্মদিন। ১৯৮৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদের কোয়ার্টারে জন্মগ্রহণ করেন এ অভিনেতা।
জন্মদিন প্রসঙ্গে রাশেদ সীমান্ত বলেন, ‘জন্মদিন আমি কখনো বিশেষভাবে পালন করি না, এই দিনটি পরিবারের সাথে কাটাতেই সবচাইতে স্বাছন্দ্য বোধ করি। জন্মদিন মানেই আমার কাছে জীবন থেকে আরেকটি বছর কমে যাওয়া এবং মৃত্যুর দিকে আর একটু বেশি এগিয়ে যাওয়া। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি, সুন্দর ভাবে আরও একটি বছর অতিক্রম করলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি যেন সুস্থ থাকি, মানবকল্যাণে নিজেকে কাজে লাগাতে পারি। সকলের নিকট আমি এবং আমার পরিবারের জন্য দোয়া চাই।’
২০১৮ সালে ‘যেই লাউ সেই কদু’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন রাশেদ সীমান্ত। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এই অল্প সময়ের মধ্যে শতাধিক নাটকে অভিনয় করে মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন। হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় একজন। আঞ্চলিক অভিনয়ে এক স্বতন্ত্রধারায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এরই মধ্যে অর্জন করেছেন দেশি ও আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার। তার অভিনীত ‘হাবুর স্কলারশিপ’ নাটকটি বাংলাদেশের একমাত্র ধারাবাহিক নাটক যা বাংলাদেশের বাইরে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, মালয়েশিয়া শুটিং হয়েছে । এটি বৈশাখী টিভিতে প্রচার হচ্ছে । এছাড়াও রাশেদ সীমান্ত অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘ঘুরিতেছে পাংখা’ চলছে আরটিভিতে।
জন্মদিন প্রসঙ্গে রাশেদ সীমান্ত বলেন, ‘জন্মদিন আমি কখনো বিশেষভাবে পালন করি না, এই দিনটি পরিবারের সাথে কাটাতেই সবচাইতে স্বাছন্দ্য বোধ করি। জন্মদিন মানেই আমার কাছে জীবন থেকে আরেকটি বছর কমে যাওয়া এবং মৃত্যুর দিকে আর একটু বেশি এগিয়ে যাওয়া। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি, সুন্দর ভাবে আরও একটি বছর অতিক্রম করলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি যেন সুস্থ থাকি, মানবকল্যাণে নিজেকে কাজে লাগাতে পারি। সকলের নিকট আমি এবং আমার পরিবারের জন্য দোয়া চাই।’
২০১৮ সালে ‘যেই লাউ সেই কদু’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন রাশেদ সীমান্ত। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এই অল্প সময়ের মধ্যে শতাধিক নাটকে অভিনয় করে মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন। হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় একজন। আঞ্চলিক অভিনয়ে এক স্বতন্ত্রধারায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এরই মধ্যে অর্জন করেছেন দেশি ও আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার। তার অভিনীত ‘হাবুর স্কলারশিপ’ নাটকটি বাংলাদেশের একমাত্র ধারাবাহিক নাটক যা বাংলাদেশের বাইরে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, মালয়েশিয়া শুটিং হয়েছে । এটি বৈশাখী টিভিতে প্রচার হচ্ছে । এছাড়াও রাশেদ সীমান্ত অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘ঘুরিতেছে পাংখা’ চলছে আরটিভিতে।