এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর এশিয়ান কাপ ফুটবল। আজ রোববার (১ মার্চ) আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে পার্থে ফিলিপাইনের মুখোমুখি হয় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
১২ দলের এই টুর্নামেন্টে আছে ইরানও। যারা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ার সেরা এই আসরে নাম লিখিয়েছে। আগামীকাল সোমবার (২ মার্চ) নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে ইরানের মেয়েরা। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া।
অস্ট্রেলিয়ায় যখন নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ইরানের মেয়েরা, তখন জ্বলছে তাদের স্বদেশ। ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের হামলায় শনিবার রাতে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হয়েছেন। মারা গেছেন দেশটির আরও কয়েক শতাধিক মানুষ। হতাহতের খবর হাজারেরও ওপরে।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এএফসির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হল সকল খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা এবং ভক্তদের সুরক্ষা দেওয়া। তাই ইরানের নারী জাতীয় ফুটবল দল এবং গোল্ডকোস্টে কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এবং নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমারা পূর্ণ সমর্থন ও সহায়তা প্রদান করছি।’
কমলাপুর স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে ইরানের কোচ মারজিয়াহ জাফারি বলেছেন, ‘এই টুর্নামেন্টে ইরানি নারীদের সম্ভাবনা দেখানোর একটি সুযোগ। ইরানের লিগ শেষে আমরা ভালো প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করেছি। অস্ট্রেলিয়া আসার আগে ফলপ্রসূ কয়েকটি সেশন করেছি। আমি আশা করি আগামীকাল আপনাদের একটি ভালো ম্যাচ উপহার দিতে পারেবা।’
এই টুর্নামেন্টটি ইরানি অনেক খেলোয়াড়ের জন্য সর্বকালের সবচেয় বড় অভিজ্ঞতা হবে। সর্বশেষ ২০২২ সালের আসরে তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়। সেবার চীন ও চাইনিজ তাইপের কাছে যথাক্রমে ৭-০ ও ৫-০ গোলে হেরেছিল। ওই আসরে বড় হারের সম্মুখীন হলেও ইরানে নারীদের কঠোর সীমাবদ্ধতার দেওয়াল কিছুটা হলেও ভেঙেছিলেন তারা।