পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইফতার মাহফিলের নামে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে হাসপাতাল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই এক অভিযোগ উঠেছে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আমাদের প্রতিনিধি। পবিত্র রমজান মাসে ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে কিছু সংগঠন ও ব্যক্তি ইফতার মাহফিলের নামে চাঁদা তুলছে—এমন অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। অভিযোগ উঠেছে, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব -এর নাম ব্যবহার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন পদে কর্মরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে। সহযোগী অধ্যাপক, সিনিয়র কনসালটেন্ট, সহকারী পরিচালক, জুনিয়র কনসালটেন্ট, রেজিস্ট্রার, মেডিকেল অফিসারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের কাছ থেকে তালিকা ধরে টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। চাঁদা হিসেবে কে কত টাকা দেবেন—এমন একটি তালিকাও এসেছে হাতে। চিকিৎসকদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা না দিলে সামাজিকভাবে বিব্রত করা কিংবা বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। “রমজান এলেই কয়েকটি সংগঠনের লোক এসে ইফতারের জন্য চাঁদা চায়। না দিলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। আমরা চাই এই ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ হোক। চিকিৎসকদের দাবি, ধর্মীয় কর্মসূচির আড়ালে এই ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের অভিযোগ, ইফতার মাহফিলের নামে এভাবে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করা হলে তা কর্মপরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রথম পর্ব