গণপূর্ত অধিদপ্তরের আলোচিত সমালোচিত সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমের অভিযুক্ত গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসিফ রহমান নাহিদ,এব উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুল ইসলাম
বহু প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঘটলো বিব্রতকর এক ঘটনা। প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয় নতুন সাউন্ড সিস্টেম হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ায় সংসদের কার্যক্রম সামরিকভাবে থমকে যায়। একইসঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য সরবরাহ করা হেডফোনের নিম্নমান নিয়ে ওঠে তীব্র সমালোচনা। এ ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় সংসদের মতো রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এমন প্রযুক্তিগত বিপর্যযের দায় কার?
শুরুতেই বিতর্ক বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমেদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) সংসদে সরবরাহ করা হেডফোনের মান নিয়েও সরাসরি খুব প্রকাশ করেন,
গত বৃহস্পতিবার ১২ই মার্চ নিজের ভেরিফায়ের ফেসবুক আইডিতে একটি কালো রঙের হেডফোনের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন সংসদের দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই খারাপ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে সাউন্ড কোয়ালিটি ও অত্যন্ত নিম্নমানের। পুরনো ডিভাইসগুলোতে সম্ভবত এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত। তার টই পোস্ট দ্রুতই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়
ঘটনা সূত্রপাত হয় অধিবেশন চলাকালেই। নতুন স্পিকার মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য শুরু করতে গেলে সংসদের মূল সাউন্ড সিস্টেমের হঠাৎ করেই যান্ত্রিক ত্রুটি রাখা দেয়। মাইকে কথা বললেও তার ঠিকভাবে শোনা যাচ্ছেনা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার কে শেষ পর্যন্ত হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করে বক্তব্য দিতে হয়। এ সময় তিনি অধিবেশন 20 মিনিটের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। পরে বিরতির পর অধিবেশন আবার শুরু হলেও কিছু সময় পর্যন্ত শব্দ বিভ্রাাট অব্যাহত ছিল। জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এমন প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের অনেকেই রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার লজ্জাজনক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন।
সংস্থাটির সূত্র বলছে নতুন এই সাউন্ড সিস্টেমের কিনতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।সংসদের মতো প্রযুক্তির নির্ভর প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০ -১২ দিনের নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পরে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা -তা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠেছে। সাউন্ড সিস্টেমের সরবরাহ করেছেন আমানত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক দুলাল। ঘটনার পর তার ভূমিকা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।
সংসদ ভবনের বৈদ্যুতিক ও প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণার দায়িত্বে রয়েছেন ৫ প্রকৌশলী হলেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক , তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসিফ রহমান নাহিদ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শামসুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে কাজ না পুরাতন যন্ত্রাংশ হেডফোন রিপেয়ারিং করে তারা চালিয়ে দেয় । আর ৬ কোটি টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে বিল নিয়ে যায় পাঁচ প্রকৌশলী।
এ বিষয় পাঁচ প্রকৌশলী সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায় নাই।
বহু প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঘটলো বিব্রতকর এক ঘটনা। প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয় নতুন সাউন্ড সিস্টেম হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ায় সংসদের কার্যক্রম সামরিকভাবে থমকে যায়। একইসঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য সরবরাহ করা হেডফোনের নিম্নমান নিয়ে ওঠে তীব্র সমালোচনা। এ ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় সংসদের মতো রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এমন প্রযুক্তিগত বিপর্যযের দায় কার?
শুরুতেই বিতর্ক বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমেদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) সংসদে সরবরাহ করা হেডফোনের মান নিয়েও সরাসরি খুব প্রকাশ করেন,
গত বৃহস্পতিবার ১২ই মার্চ নিজের ভেরিফায়ের ফেসবুক আইডিতে একটি কালো রঙের হেডফোনের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন সংসদের দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই খারাপ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে সাউন্ড কোয়ালিটি ও অত্যন্ত নিম্নমানের। পুরনো ডিভাইসগুলোতে সম্ভবত এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত। তার টই পোস্ট দ্রুতই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়
ঘটনা সূত্রপাত হয় অধিবেশন চলাকালেই। নতুন স্পিকার মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য শুরু করতে গেলে সংসদের মূল সাউন্ড সিস্টেমের হঠাৎ করেই যান্ত্রিক ত্রুটি রাখা দেয়। মাইকে কথা বললেও তার ঠিকভাবে শোনা যাচ্ছেনা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার কে শেষ পর্যন্ত হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করে বক্তব্য দিতে হয়। এ সময় তিনি অধিবেশন 20 মিনিটের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। পরে বিরতির পর অধিবেশন আবার শুরু হলেও কিছু সময় পর্যন্ত শব্দ বিভ্রাাট অব্যাহত ছিল। জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এমন প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের অনেকেই রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার লজ্জাজনক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন।
সংস্থাটির সূত্র বলছে নতুন এই সাউন্ড সিস্টেমের কিনতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।সংসদের মতো প্রযুক্তির নির্ভর প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০ -১২ দিনের নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পরে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা -তা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠেছে। সাউন্ড সিস্টেমের সরবরাহ করেছেন আমানত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক দুলাল। ঘটনার পর তার ভূমিকা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।
সংসদ ভবনের বৈদ্যুতিক ও প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণার দায়িত্বে রয়েছেন ৫ প্রকৌশলী হলেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক , তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসিফ রহমান নাহিদ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শামসুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে কাজ না পুরাতন যন্ত্রাংশ হেডফোন রিপেয়ারিং করে তারা চালিয়ে দেয় । আর ৬ কোটি টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে বিল নিয়ে যায় পাঁচ প্রকৌশলী।
এ বিষয় পাঁচ প্রকৌশলী সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায় নাই।