" সংসদের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং এম এ রউফ (Qatar) সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি.
তুমি যে বিষয়টা তুলেছো, এটা খুব সংবেদনশীল—কিন্তু একই সঙ্গে খুব জরুরি। পরিবার ভেঙে যায়, সম্পর্ক নষ্ট হয়, আর অনেক সময় অন্যায়কে “স্বাভাবিক” মনে করে মানুষ চুপ থাকে। তাই লেখাটা এমন হওয়া দরকার—স্পষ্ট, শক্ত, কিন্তু দায়িত্বশীল।
আমি তোমার কথাগুলো ধরে একটা পূর্ণাঙ্গ লেখা সাজিয়ে দিলাম। চাইলে এটা প্রেস রিলিজ, পোস্টার, বা বক্তব্য—যেভাবেই ব্যবহার করা যাবে।
ঠগা-ঠগি ও সম্পত্তি দখল: নৈতিকতা, ইসলাম ও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ
মানুষের জীবনে সম্পত্তি, জমি বা উত্তরাধিকার শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বিষয় নয়—এটি ন্যায্য অধিকার, পারিবারিক ভারসাম্য এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ বাস্তবতায় দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই এই অধিকারকে উপেক্ষা করে জোরপূর্বক দখল, প্রতারণা এবং ঠগা-ঠগির মাধ্যমে অন্যের প্রাপ্য কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
একে অপরের অধিকার, জায়গা ও সম্পদ জোরপূর্বক কব্জা করে নেওয়া ইসলাম ও প্রচলিত উভয় আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। বিশেষ করে পিতা-মাতা বা পরিবারের দুর্বল সদস্যদের প্রভাবিত করে, ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি নিজের নামে নেওয়া শুধু আইনভঙ্গ নয়—এটি একটি বড় ধরনের নৈতিক অবক্ষয়।
ইসলামে অন্যের হক নষ্ট করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন,
“যে ব্যক্তি অন্যের এক বিঘা জমিও অন্যায়ভাবে দখল করে, কিয়ামতের দিন তা তার গলায় সাত জমিনের বোঝা হয়ে ঝুলবে।”
এই হাদিস থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়, অন্যের সম্পত্তি দখল করা কত বড় গুনাহ।
একইভাবে, রাষ্ট্রীয় আইনেও এই ধরনের কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ। সম্পত্তি বা জমি যথাযথভাবে ভাগ-বাটোয়ারা না করে, ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে তা এককভাবে ভোগ করা আইনত শাস্তিযোগ্য। প্রতারণা, জালিয়াতি বা জোরপূর্বক দখলের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ কখনো বৈধ হতে পারে না।
এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—অনেকেই মনে করেন, “পরিবারের মধ্যে হয়েছে, বাইরে কেউ জানবে না”—কিন্তু অন্যায় কখনো সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি ধীরে ধীরে সম্পর্ক ধ্বংস করে, পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে এবং সমাজে অবিচারের সংস্কৃতি গড়ে তোলে।
ঠগা-ঠগি শুধু অর্থের ক্ষতি নয়, এটি বিশ্বাসের মৃত্যু। যখন ভাই ভাইকে ঠকায়, সন্তান পিতামাতাকে প্রতারণা করে, বা আত্মীয় আত্মীয়ের অধিকার কেড়ে নেয়—তখন সমাজের ভিতটাই দুর্বল হয়ে যায়।
আমাদের করণীয়
প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে
সম্পত্তি বণ্টনে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে হবে
পরিবারে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে
প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকতে হবে
শেষ কথা
অন্যের হক নষ্ট করে কেউ কখনো সফল হতে পারে না। হয়তো কিছুদিন সুবিধা পাওয়া যায়, কিন্তু এর পরিণতি ভয়াবহ—দুনিয়াতেও, আখিরাতেও।
আসুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—
অন্যের অধিকার সম্মান hকরব, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করব, এবং ঠগা-ঠগির বিরুদ্ধে সচেতন সমাজ গড়ে তুলব।
"দেশবন্ধু" রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং এম এ রউফ (Qatar)
.সাবেক ইউরোপ রেমিট্যান্স যোদ্ধা।
সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি
রিমন হোসেন
নাজনীন রহমান রাজন
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি।
মোস্তাফিজুর রহমান রিপন
চেয়ারম্যানঃ-
নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টঃ-
লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী
বাংলাদেশ।