ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফগানিস্তান ক্রিকেটের উত্থানের অন্যতম কারিগর ও সাবেক গতি তারকা শাপুর জাদরান। ৩৮ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি পেসার হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস নামক একটি বিরল এবং প্রাণঘাতী রোগ এবং আরও কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।
গত জানুয়ারিতে চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন শাপুর। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার শাপুরের লম্বা চুল উড়িয়ে বোলিং করাটা ছিল বেশ দেখার মতো। দীর্ঘদেহি সেই পেসারই এখন আইসিইউর বিছানায় কুঁকড়ে শুয়ে থেকে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই করছেন।
বর্তমানে শাপুর তেমন একটা কথা বলতে পারেন না এবং বেশির ভাগ সময় ঘুমান বলেই জানান গামাই। দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভর্তির সময় শাপুরের ওজন ছিল ৯৮ কেজি। সেটা ১৪ কেজি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৮৪ কেজিতে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে আনা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে তার রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায় এবং আগে হওয়া একটি মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা দেখা দেয়।
ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফগানিস্তান ক্রিকেটের উত্থানের অন্যতম কারিগর ও সাবেক গতি তারকা শাপুর জাদরান। ৩৮ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি পেসার হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস নামক একটি বিরল এবং প্রাণঘাতী রোগ এবং আরও কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।
গত জানুয়ারিতে চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন শাপুর। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার শাপুরের লম্বা চুল উড়িয়ে বোলিং করাটা ছিল বেশ দেখার মতো। দীর্ঘদেহি সেই পেসারই এখন আইসিইউর বিছানায় কুঁকড়ে শুয়ে থেকে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই করছেন।
বর্তমানে শাপুর তেমন একটা কথা বলতে পারেন না এবং বেশির ভাগ সময় ঘুমান বলেই জানান গামাই। দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভর্তির সময় শাপুরের ওজন ছিল ৯৮ কেজি। সেটা ১৪ কেজি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৮৪ কেজিতে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে আনা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে তার রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায় এবং আগে হওয়া একটি মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা দেখা দেয়।