সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ চৌধুরী (১৪), ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি মিয়া (১৫) এবং নবীর হোসেনের ছেলে মিজান হোসেন (২০)।
একই ঘটনায় আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে শামীম (১৮) আহত হন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এছাড়া ফুলছড়ি সদর উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের জামিরা চরে বজ্রপাতে শুক্কুর আলীর ছেলে মানিক হোসেন (২২) নিহত হন। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা একটি ঘোড়াও মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে আকাশ হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। এ সময় দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির পাশে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এলাকাবাসীরা আরও জানান, একই সময়ে একটি গরুও বজ্রপাতে মারা যায়।
অপরদিকে, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে বজ্রপাতে নম্বার আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত কছির উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে ছাগল দেখতে গেলে তিনি বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিরুল আলম স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সময় আকস্মিক বজ্রপাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন এবং একটি গরু ও একটি ঘোড়ার মৃত্যু হয়েছে।
একই ঘটনায় আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে শামীম (১৮) আহত হন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এছাড়া ফুলছড়ি সদর উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের জামিরা চরে বজ্রপাতে শুক্কুর আলীর ছেলে মানিক হোসেন (২২) নিহত হন। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা একটি ঘোড়াও মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে আকাশ হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। এ সময় দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির পাশে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এলাকাবাসীরা আরও জানান, একই সময়ে একটি গরুও বজ্রপাতে মারা যায়।
অপরদিকে, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে বজ্রপাতে নম্বার আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত কছির উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে ছাগল দেখতে গেলে তিনি বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিরুল আলম স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সময় আকস্মিক বজ্রপাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন এবং একটি গরু ও একটি ঘোড়ার মৃত্যু হয়েছে।