এবং এম এ রউফ (Qatar) সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটিকে যোগাযোগ করে থাকেন.
আমি এখানে একটি ইন্টারভিউর বিষয়বস্তুগুলি তুলে ধরলাম, এরপরেও যদি আপনাদের জানার কিছু থাকে, আমার ফোন নাম্বার রয়েছে নির্দ্বিদা যোগাযোগ করতে পারেন. - আমি আপনাদের সহযোদ্ধা ভাই, এম এ রউফ.
সাক্ষাৎকার:
বিষয়: দেশপ্রেম, ন্যায়নীতি ও প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অধিকার
সাক্ষাৎকারদাতা:
এম এ রউফ (কাতার)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ.
প্রশ্ন: “দেশবন্ধু” ধারণাটি আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
উত্তর (এম এ রউফ):
২০১৩ সালে দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেবকে “দেশবন্ধু” খেতাব প্রদান করা হয়। তিনি সর্বদা দেশের মঙ্গল, দেশের মানুষের অধিকার এবং ন্যায়বিচারের কথা ভেবেছেন। সেখান থেকেই “দেশবন্ধু” ধারণাটি আমাদের চিন্তায় গভীরভাবে স্থান করে নেয়।
দেশবন্ধু হওয়া কোনো পদবী নয়—এটা একটি চেতনা, একটি দায়বদ্ধতা।
আমি দেশকে ভালোবাসি, তাই আমি দেশবন্ধু। আপনি দেশকে ভালোবাসেন—আপনিও দেশবন্ধু।
দরুন, একজন প্রবাসী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাজ করছে, শুধু তার পরিবার না—পুরো গ্রামের মানুষের জন্য টাকা পাঠাচ্ছে। সে হয়তো কোনো বড় নেতা না, কিন্তু সে প্রকৃত দেশবন্ধু।
প্রশ্ন: আপনারা দেশকে “মায়ের মর্যাদা” দেওয়ার কথা বলেন—এটা একটু বাস্তবভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
উত্তর:
আমাদের কাছে দেশ মানে মা—এটা কোনো স্লোগান না, এটা বাস্তব অনুভূতি।
একজন সন্তান কখনো তার মায়ের সম্পদ লুটপাট করে না, মায়ের ক্ষতি করে না।
কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি—হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে, দুর্নীতি হচ্ছে, সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
আমরা বলি—
এটা শুধু দুর্নীতি না, এটা মায়ের বুকে আঘাত।
আমরা চাই—
যারা এই অপরাধ করেছে, তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়, এবং আইনের আওতায় আসে।
প্রশ্ন: “ডিভাইড অ্যান্ড রুল” কেন এত বড় সমস্যা?
উত্তর:
একটু খেয়াল করলে দেখবেন—যখন মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকে, তখন কোনো অন্যায় টিকতে পারে না।
কিন্তু যখন মানুষকে বিভক্ত করা হয়—দল, মত, অঞ্চল, ধর্ম—তখন সবাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
দরুন, একটি গ্রামে ১০০ জন মানুষ একসাথে থাকলে তারা উন্নয়ন করতে পারে।
কিন্তু যদি তাদের ৫ ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়—তাহলে কেউই শক্তিশালী থাকে না।
এই কারণেই আমরা বলি—
United we stand for the country.
আমরা বিভাজনের রাজনীতি না, ঐক্যের রাজনীতি চাই।
প্রশ্ন: “তোমারটা তোমার, আমারটা আমার” নীতিটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করবে?
উত্তর:
এই নীতিটা খুবই বাস্তব এবং প্রযোজ্য।
দরুন—
একজন সরকারি কর্মকর্তা যদি মনে করেন “সরকারি টাকা আমার না”—তাহলে তিনি দুর্নীতি করবেন না।
একজন ব্যবসায়ী যদি মনে করেন “গ্রাহকের অধিকার তার নিজের”—তাহলে সে প্রতারণা করবে না।
এই নীতির মূল কথা—
অন্যের হক কেড়ে নেবো না
নিজের হক ছাড়বো না
এই দুইয়ের সমন্বয় হলেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
প্রশ্ন: প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের বিষয়ে আপনারা যে ৬ দফা দাবি দিয়েছেন—সেগুলো বিস্তারিত বলবেন?
উত্তর:
আমাদের ৬ দফা দাবি কোনো বিলাসিতা নয়—এগুলো ন্যায্য অধিকার।
১. সাপ্তাহিক ন্যূনতম ভাতা (ডাল-ভাত ভাতা)
প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০০ টাকা—যাতে জীবনের শেষ সময়ে একজন প্রবাসী অন্তত ক্ষুধার কষ্টে না থাকে।
উদাহরণ: অনেক প্রবাসী দেশে ফিরে কোনো আয়ের উৎস পান না—এই ভাতা তাদের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেবে।
২. প্রবাসী কল্যাণ তহবিল শক্তিশালী করা
প্রত্যেক প্রবাসীর জন্য একটি নিরাপত্তা ফান্ড থাকতে হবে—যেখানে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবার তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবে।
৩. প্রতারণা ও দালাল সিন্ডিকেট বন্ধে বিশেষ সেল
বিদেশ যাওয়ার সময় হাজারো মানুষ প্রতারণার শিকার হয়।
আলাদা মনিটরিং সেল গঠন করে দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. কম খরচে বৈধ পথে বিদেশ গমনের ব্যবস্থা
অনেক মানুষ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে বিদেশ যায়, ঋণের বোঝা নিয়ে জীবন শুরু করে।
সরকারিভাবে খরচ কমিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
৫. দেশে ফিরে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান
প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে অনেকেই বেকার হয়ে পড়ে। স্কিল অনুযায়ী চাকরি বা ছোট ব্যবসার জন্য সহজ ঋণ দিতে হবে।
৬. নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব
যারা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে, তাদের কণ্ঠস্বর সংসদ বা নীতিনির্ধারণে থাকতে হবে।
প্রশ্ন: এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের কী উপকার হবে?
উত্তর:
এটা শুধু প্রবাসীদের জন্য না—পুরো দেশের জন্য লাভজনক।
প্রবাসীরা নিরাপদ বোধ করবে → রেমিটেন্স বাড়বে প্রতারণা কমবে → মানুষের আস্থা বাড়বে
দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে → দেশের উন্নয়ন হবে
এক কথায়—
প্রবাসীদের সম্মান দিলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
প্রশ্ন: দেশের মানুষের কাছে আপনার চূড়ান্ত বার্তা কী?
উত্তর:
প্রবাসীরা আলাদা কেউ না—তারা এই দেশেরই সন্তান।
আমরা শুধু টাকা পাঠাই না—
আমরা দেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখি।
আমি দেশের মানুষকে বলবো—
আমাদের দাবিগুলোকে নিজের দাবি মনে করুন।
আমাদের পাশে দাঁড়ান।
দেশ গড়ার দায়িত্ব সবার—
আমরা সবাই মিলে দেশ গড়বো।
সমাপনী মন্তব্য:
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ বিশ্বাস করে—
দেশপ্রেম, ন্যায়নীতি, এবং ঐক্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী, ন্যায্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
স্বাক্ষর:
সাবেক ইউরোপ রেমিট্যান্স যোদ্ধা
এম এ রউফ (কাতার)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
00974 66958035
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক desh.bondhu@hotmail.com
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ
লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা
সহ সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
লায়ন আঃ কাদির জিলানী
সহ সভাপতি
আমি এখানে একটি ইন্টারভিউর বিষয়বস্তুগুলি তুলে ধরলাম, এরপরেও যদি আপনাদের জানার কিছু থাকে, আমার ফোন নাম্বার রয়েছে নির্দ্বিদা যোগাযোগ করতে পারেন. - আমি আপনাদের সহযোদ্ধা ভাই, এম এ রউফ.
সাক্ষাৎকার:
বিষয়: দেশপ্রেম, ন্যায়নীতি ও প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অধিকার
সাক্ষাৎকারদাতা:
এম এ রউফ (কাতার)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ.
প্রশ্ন: “দেশবন্ধু” ধারণাটি আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
উত্তর (এম এ রউফ):
২০১৩ সালে দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেবকে “দেশবন্ধু” খেতাব প্রদান করা হয়। তিনি সর্বদা দেশের মঙ্গল, দেশের মানুষের অধিকার এবং ন্যায়বিচারের কথা ভেবেছেন। সেখান থেকেই “দেশবন্ধু” ধারণাটি আমাদের চিন্তায় গভীরভাবে স্থান করে নেয়।
দেশবন্ধু হওয়া কোনো পদবী নয়—এটা একটি চেতনা, একটি দায়বদ্ধতা।
আমি দেশকে ভালোবাসি, তাই আমি দেশবন্ধু। আপনি দেশকে ভালোবাসেন—আপনিও দেশবন্ধু।
দরুন, একজন প্রবাসী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাজ করছে, শুধু তার পরিবার না—পুরো গ্রামের মানুষের জন্য টাকা পাঠাচ্ছে। সে হয়তো কোনো বড় নেতা না, কিন্তু সে প্রকৃত দেশবন্ধু।
প্রশ্ন: আপনারা দেশকে “মায়ের মর্যাদা” দেওয়ার কথা বলেন—এটা একটু বাস্তবভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
উত্তর:
আমাদের কাছে দেশ মানে মা—এটা কোনো স্লোগান না, এটা বাস্তব অনুভূতি।
একজন সন্তান কখনো তার মায়ের সম্পদ লুটপাট করে না, মায়ের ক্ষতি করে না।
কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি—হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে, দুর্নীতি হচ্ছে, সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
আমরা বলি—
এটা শুধু দুর্নীতি না, এটা মায়ের বুকে আঘাত।
আমরা চাই—
যারা এই অপরাধ করেছে, তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়, এবং আইনের আওতায় আসে।
প্রশ্ন: “ডিভাইড অ্যান্ড রুল” কেন এত বড় সমস্যা?
উত্তর:
একটু খেয়াল করলে দেখবেন—যখন মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকে, তখন কোনো অন্যায় টিকতে পারে না।
কিন্তু যখন মানুষকে বিভক্ত করা হয়—দল, মত, অঞ্চল, ধর্ম—তখন সবাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
দরুন, একটি গ্রামে ১০০ জন মানুষ একসাথে থাকলে তারা উন্নয়ন করতে পারে।
কিন্তু যদি তাদের ৫ ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়—তাহলে কেউই শক্তিশালী থাকে না।
এই কারণেই আমরা বলি—
United we stand for the country.
আমরা বিভাজনের রাজনীতি না, ঐক্যের রাজনীতি চাই।
প্রশ্ন: “তোমারটা তোমার, আমারটা আমার” নীতিটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করবে?
উত্তর:
এই নীতিটা খুবই বাস্তব এবং প্রযোজ্য।
দরুন—
একজন সরকারি কর্মকর্তা যদি মনে করেন “সরকারি টাকা আমার না”—তাহলে তিনি দুর্নীতি করবেন না।
একজন ব্যবসায়ী যদি মনে করেন “গ্রাহকের অধিকার তার নিজের”—তাহলে সে প্রতারণা করবে না।
এই নীতির মূল কথা—
অন্যের হক কেড়ে নেবো না
নিজের হক ছাড়বো না
এই দুইয়ের সমন্বয় হলেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
প্রশ্ন: প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের বিষয়ে আপনারা যে ৬ দফা দাবি দিয়েছেন—সেগুলো বিস্তারিত বলবেন?
উত্তর:
আমাদের ৬ দফা দাবি কোনো বিলাসিতা নয়—এগুলো ন্যায্য অধিকার।
১. সাপ্তাহিক ন্যূনতম ভাতা (ডাল-ভাত ভাতা)
প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০০ টাকা—যাতে জীবনের শেষ সময়ে একজন প্রবাসী অন্তত ক্ষুধার কষ্টে না থাকে।
উদাহরণ: অনেক প্রবাসী দেশে ফিরে কোনো আয়ের উৎস পান না—এই ভাতা তাদের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেবে।
২. প্রবাসী কল্যাণ তহবিল শক্তিশালী করা
প্রত্যেক প্রবাসীর জন্য একটি নিরাপত্তা ফান্ড থাকতে হবে—যেখানে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবার তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবে।
৩. প্রতারণা ও দালাল সিন্ডিকেট বন্ধে বিশেষ সেল
বিদেশ যাওয়ার সময় হাজারো মানুষ প্রতারণার শিকার হয়।
আলাদা মনিটরিং সেল গঠন করে দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. কম খরচে বৈধ পথে বিদেশ গমনের ব্যবস্থা
অনেক মানুষ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে বিদেশ যায়, ঋণের বোঝা নিয়ে জীবন শুরু করে।
সরকারিভাবে খরচ কমিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
৫. দেশে ফিরে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান
প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে অনেকেই বেকার হয়ে পড়ে। স্কিল অনুযায়ী চাকরি বা ছোট ব্যবসার জন্য সহজ ঋণ দিতে হবে।
৬. নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব
যারা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে, তাদের কণ্ঠস্বর সংসদ বা নীতিনির্ধারণে থাকতে হবে।
প্রশ্ন: এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের কী উপকার হবে?
উত্তর:
এটা শুধু প্রবাসীদের জন্য না—পুরো দেশের জন্য লাভজনক।
প্রবাসীরা নিরাপদ বোধ করবে → রেমিটেন্স বাড়বে প্রতারণা কমবে → মানুষের আস্থা বাড়বে
দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে → দেশের উন্নয়ন হবে
এক কথায়—
প্রবাসীদের সম্মান দিলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
প্রশ্ন: দেশের মানুষের কাছে আপনার চূড়ান্ত বার্তা কী?
উত্তর:
প্রবাসীরা আলাদা কেউ না—তারা এই দেশেরই সন্তান।
আমরা শুধু টাকা পাঠাই না—
আমরা দেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখি।
আমি দেশের মানুষকে বলবো—
আমাদের দাবিগুলোকে নিজের দাবি মনে করুন।
আমাদের পাশে দাঁড়ান।
দেশ গড়ার দায়িত্ব সবার—
আমরা সবাই মিলে দেশ গড়বো।
সমাপনী মন্তব্য:
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ বিশ্বাস করে—
দেশপ্রেম, ন্যায়নীতি, এবং ঐক্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী, ন্যায্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
স্বাক্ষর:
সাবেক ইউরোপ রেমিট্যান্স যোদ্ধা
এম এ রউফ (কাতার)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
00974 66958035
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক desh.bondhu@hotmail.com
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ
লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা
সহ সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
লায়ন আঃ কাদির জিলানী
সহ সভাপতি