মো. লিখন ইসলাম, নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কামরুজ্জামান কামালের অপকর্মের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও ঘৃণার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুজ্জামান কামালের সঙ্গে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ ও অশ্লীল মুহূর্তের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একজন সরকারি চিকিৎসক হয়ে এমন ন্যক্কারজনক অপকর্ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও তাকে বহাল রাখা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য লজ্জাজনক।”
তারা অবিলম্বে কামরুজ্জামান কামালের স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ নিয়ে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও/স্যাকমো) কামরুজ্জামান কামাল জানায়, "এটি একটি মীমাংসিত ইস্যু। আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর জন্য নতুন করে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।"
ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান জানান, “অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তার ডিউটি বন্ধ করা হয়েছে এবং সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
তবে স্থানীয়রা বলছেন, “কাগজে-কলমে তদন্ত আর ডিউটি বন্ধের কথা বললেই হবে না। এত বড় অপকর্মের পরও তিনি যেভাবে বহাল তবিয়তে আছেন, তাতে সাধারণ মানুষের আস্থা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে।” এ ঘটনায় উর্ধ্বতন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ডিমলাবাসী।