একের পর এক কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মামলা, বিভাগীয় ব্যবস্থা, সাময়িক বরখাস্ত ও বাধ্যতামূলক অবসর হলেও থামছে না ঘুষ, জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।
দুর্নীতি দমন কমিশন ইতোমধ্যে একাধিক সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে রাজস্ব ফাঁকি, কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, জাল দলিল রেজিস্ট্রি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে এসেছে। কোথাও জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে রাজস্ব ফাঁকি, কোথাও জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার জমি রেজিস্ট্রি, আবার কোথাও সরকারি ফির অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রমাণ মিলেছে।
আইন মন্ত্রণালয়ও বিভিন্ন সময় কয়েকজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসর এবং বিভাগীয় শাস্তির আওতায় এনেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে—এসব ব্যবস্থা কি আদৌ কার্যকর হচ্ছে?
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করে পার পেয়ে যাচ্ছেন। ফলে সাধারণ মানুষ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, আর রাষ্ট্র হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে দেশের সাব-রেজিস্ট্রি খাতের ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।