পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) “অধিকতর উন্নয়ন (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন পরিকল্পনা কমিশনের পরিচালক।
২১ জুন বেলা ১১টায় পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এর পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন সেক্টর-৬ এর পরিচালক (উপসচিব) নিশাত জাহান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিন দেখেন। তিনি শেরেবাংলা হল,তাপসী রাবেয়া হল,শহীদ জিয়াউর হল-১,বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়াম,রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ১০০০ কেভি সাবস্টেশন বিদ্যুৎ কেন্দ্র, একাডেমিক ভবন(৬ষ্ঠ তলা), উপাচার্যের বাসভবন,উপ উপাচার্যের বাসভবনসহ বিভিন্ন নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন। ভাইস চ্যান্সেলর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান সাংবাদিকদের বলেন, “এই উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পবিপ্রবি আরও আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত একাডেমিক ও আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা সরেজমিনে এসে প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে খুশি হয়েছেন, যা আমাদের জন্য বড় প্রেরণা। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে আরও দ্রুততার সঙ্গে এই প্রকল্পের সকল কাজ সম্পন্ন হবে।”
এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর মো: আব্দুল লতিফ, প্রকল্প পরিচালক ওবায়েদুল ইসলাম, বিশেষ কর্মকর্তা প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন, ওসানোগ্রাফি অনুষদের ডিন ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, প্রকল্পের উপপরিচালক প্রকৌশলী মুহাইমিনুল আলম ফাইয়াজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী মো: ইউনুছ শরীফ, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ, তও্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: ফারুক হোসেন, ভিসির একান্ত সচিব আরিফুর রহমান নোমান, ঠিকাদার মো: আমীর হোসেন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো: খায়রুল বাশার মিয়া, ইলিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়টির এই উন্নয়ন প্রকল্প শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও সুসজ্জিত একাডেমিক ও আবাসিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে, যা পবিপ্রবিকে দেশের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করবে।