১১ জনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে সুপারেন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতির জন্য জোর তদবির করছেন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক। তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০ লাখ টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যাদের সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার কোন প্রমান নেই তাদেরকে বিধিমতে কোনোভাবেই পঞ্চম গ্রেডের উপরে পদোন্নতি দেবার সুযোগ নেই।
২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বঙ্গভবনের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালে সংসদ ভবনে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংসদে সীমাহীন দুর্নীতির কারণে তাকে সরিয়ে সমীরণ মিস্ত্রিকে নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়। যখনি কোন ওয়ার্কিং ডিভিশনে দায়িত্ব পেয়েছেন তখনি শুরু করেছেন লুটপাট। এমনকি পিএন্ডডিতে থাকাকালীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে গণপূর্তের শিডিউলভুক্ত করতে নিয়েছেন বিপুল অংকের অর্থ।
দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আশরাফুল হক দুই ছেলেকে কানাডা পাঠিয়ে নিয়মিত ডলার পাচার করছেন বলে অভিযোগ আছে।
টেন্ডার প্রতি ২% টাকা গ্রহণ , টেন্ডারে ভুল ধরে ৫% পর্যন্ত টাকা নিয়ে অবৈধভাবে ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেবার মাস্টারমাইন্ড এই আশরাফুল হক।
গভীর জলের মাছ আশরাফুল হক শেখ মুজিবের সমাধির সকল বৈদ্যুতিক কাজের পরিকল্পনা করে দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশি করতে। ডিপার্টমেন্টে তার বিরুদ্ধে অনেকেরই গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কেউ ভয়ে মুখ খোলার সাহস পায় না।
এসব বিষয়ে কথা বলতে আশরাফুল হক এর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তা সম্ভব হয়নি।
তার ঘুস, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের তথ্য নিয়ে বিস্তারি আসছে দ্বিতীয় পর্বে