দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অন্যতম অনুষঙ্গ হলো ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, কর্তা বাবুরা যখন অর্থের বিনিময়ে ধরাকে স্বরাজ্ঞান করে আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যখন নিরব থাকে, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের সাধারণ রোগীরা আর আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ ঔষধ কোম্পানি এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অসাধু ও অপরাধ চক্রের সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বাংলাদেশের সকল ধরনের ঔষধের মান-নিশ্চিতকরণ মনিটরিং এর দায়িত্ব শুধুমাত্র ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের। কিন্তু এখানে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের একশ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেটের কারনে এই ঔষধের মান নিশ্চিতকরণ থেকে দেশের মানুষ আজ পর্যন্ত বঞ্চিত হচ্ছে। যার ফলে বাজারে নকল ভেজাল ঔষধে সয়লাব হয়ে পড়েছে। এই ভেজাল রোধ করে এদের লাগাম টেনে ধরবে কে? হরহামেশাই পাওয়া যাচ্ছে হাতের নাগালে ভেজাল নকল মানহীন ঔষধ। আর এই নিম্নমানের নকল ভেজাল ঔষধ সেবনে জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্তসহ প্রাণহানি হচ্ছে অনেক মানুষের।
৭৭ টি ঔষধের মান নিম্নমানের ঘোষণা করা হলেও ত্রিরত্নকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ঔষধ কোম্পানি গুলোর এখনো বাজারে মানহীন ঔষধের রমরমা ব্যবসা তুঙ্গে। গড়ে তুলেছেন সম্পদের সর্গরাজ্য।
অধিকতর অনুসন্ধানের ভিত্তিতে জানা যায়, ২০২৫ সালে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ন্যাশনাল ড্রাগ কন্ট্রোল ল্যাবরেটরী কর্তৃক ৭৭ টি ঔষধের নমুনা মান বর্হিভূত বলে ঘোষণা করা হলেও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা সৈকত কুমার কর, উপ-পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর আহমেদ ও পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ আসরাফ হোসেন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোটি কোটি টাকা অর্থের বিনিময়ে উক্ত মানবর্হিভূত ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। উল্লেখিত ঔষধ গুলো এখনো বাজারে ছয়লাব হয়ে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে কোম্পানিগুলো।
এখানে ডিজিডিএ এর তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকাশ থাকে যে, স্মারক নং ডিজিডিএ/প্রশা-১৬/নিয়োগ/০৮(অংশ)/৫৩০ তারিখঃ- ০৩/০৬/২০২৫ ইং তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ আদেশে দেখা যায় শুধুমাত্র বরিশাল বিভাগ থেকে ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ১৩ জন নিয়োগ পেয়েছেন। উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় সভাপতি ছিলেন পরিচালক প্রশাসন মোঃ আসরাফ হোসেন এবং সদস্য সচিব ছিলেন পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নাঈম গোলদার। উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন পরিচালক প্রশাসন আসরাফ হোসেন, পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নাঈম গোলদার এবং উপ-পরিচালক প্রশাসন মোঃ তানভীর আহমেদ। উল্লেখ্য যে, পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নাঈম গোলদারের বাড়ী বরিশাল বিভাগে এবং উপ-পরিচালক প্রশাসন মোঃ তানভীর আহমেদের বাড়ী ময়মনসিংহ বিভাগে হওয়ার সুবাদে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীদেরকে নিয়োগ দেন। এতে করে একদিকে মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছেন এই নিয়োগ থেকে অপরদিকে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে হালাল করেছেন নাঈম ও তানভিরের সিন্ডিকেট মেধাহীনদের মেধাবী বানিয়ে। আর এই সব মেধাহীন সিন্ডিকেট দিয়েই গড়ে তুলেছেন রামরাজত্ব। এই সম্রাজ্যের তিন রত্ন এখন অধিদপ্তরের সর্বেসর্বা।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ নাঈম গোলদার পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি নাজমুল হোসেন সোহাগের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরি পান নাঈম গোলদার। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি সোহাগ এর পরিচিতি কাজে লাগিয়ে চাকুরিকালীন সময়ে বিগত ১৬ বছরের মধ্যে ১৪ বছরই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করছেন এবং বিদেশে প্রশিক্ষন সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন একাধিকবার। এমনকি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি বন্ধু সোহাগের প্রভাব খাটিয়ে মোহাম্মদ নাঈম গোলদার পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এর পদোন্নতি ক্ষেত্রে জেষ্ঠতার তালিকায় উপরে থাকা সিনিয়র এম ডি কাইয়ুমকে টপকে নিজে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন বলেও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়।
শুধু তাই নয়, আরো বিসদ অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫ সালে ৭৫ জন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় সদস্য সচিব থাকাকালীন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বেশ কয়েক জন-কে নিয়োগ দিয়েছেন এই বিধিবাম নাঈম গোলদার। সেই সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভূয়া বিল ভাউচার জালিয়াতি করে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রকাশ, উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেন এবং মনমতো ও পছন্দসই স্থানেই পদায়ন করান। এই নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বমোট প্রায় কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেন এই মোহাম্মদ নাঈম গোলদার। এদিকে সরেজমিনে তদন্ত করে জানা যায়, নাঈম গোলদার নিজ জন্মস্থান বরিশালে ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে সংলগ্ন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং বাসা ১৫/১৭, রোড ০৮, ব্লক এফ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯ ঠিকানায় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন স্ত্রী মোসাঃ সাবেকুন্নাহার এর নামে। এছাড়া বাবা, শ্বশুর ও স্ত্রীর নামে অঢেল সম্পদ ক্রয় করেছেন। এছাড়াও তার অর্থায়নে আল রাজী ল্যাবরেটরীজ (ইউনানী)-তে তার শ্যালক ও স্ত্রীর শেয়ার রয়েছে বলে জানা যায়।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, গত ১৬/০২/২০২৬ ইং স্মারক নং ডিএ/২৭-০৩/২০১৬/৯৫ এর মাধ্যমে অবৈধভাবে মোটা উৎকোচের বিনিময়ে মেসার্স জাস কর্পোরেশন কে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ফুড সাপ্লিমেন্ট/নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট আমদানির অনাপত্তি সূচক সনদপত্র প্রদান করেন মোহাম্মদ নাঈম গোলদার পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ।
অপরদিকে আওয়ামী সরকারের শক্তি এবং ইসকন সদস্য হওয়ার সুবাদে ২০১২ সালে ওষুধ প্রশাসনে যোগদানের পর থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত প্রধান কার্যালয়ে চাকুরী করছেন উপ-পরিচালক সৈকত কুমার কর । তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি নাজমুল হোসেন সোহাগের ঘনিষ্ট বন্ধু পরিচালক নাঈম গোলদার এর ডান হাত হিসেবে কাজ করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে। সৈকত কুমার কর প্রাক্তন পরিচালক প্রশাসন আসরাফ হোসেনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধভাবে ফুড সাপ্লিমেন্ট, নিউট্টিশনাল সাপ্লিমেন্ট আমদানি কারকদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই এনওসি প্রদান করে থাকেন বলেও বিস্তর অভিযোগ আছে।
আওয়ামী সরকারের শক্তি এবং ইসকনের প্রভাব কাজে লাগিয়ে চাকুরিরত অবস্থায় বিগত ১৪ বছরের মধ্যে ১৩ বছরই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করছেন এবং তিনিও বিদেশে প্রশিক্ষন সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন। তথ্য ঘাটলে দেখা যায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেশের বাইরে চারভাগের একভাগও ট্রেনিং পায়না। অথচ বিধিবাম নাঈম গোলদারের অন্যতম সহযোগীও একই সাথে বিদেশ ভ্রমণ করেছেন সৈকত কুমার কর।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সৈকত কুমার কর ইসকনের উগ্র হিন্দুত্ববাদী হয়েও নুসরাত জাহান নামে একজন মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে টাকার বিনিময়ে স্ত্রী নুসরাত জাহানকে একই দপ্তরে ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে নিয়োগ করান। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রী প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করে একটা পরিবারতন্ত্র সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন এবং একটি অভেদ্য সিন্ডিকেট তৈরি করছে যা কেউ ভাঙতে পারবে না সহজেই। শুধু তাই নয়, এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট তাদের অনুসারী ব্যতিত কাউকে ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকায় প্রবেশ করতে দেয় না। অন্যদিকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সৈকত কুমার কর বিভিন্ন ভালো স্টেশনে কর্মকর্তাদের পদায়নের ব্যবস্থা করেন।
সরেজমিনে তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে আরো জানা যায়, সৈকত কুমার কর নানা অনিয়ম ও ঘুষ-বাণিজ্য করে বিপুল পরিমান অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। অবৈধভাবে ঘুষ-বাণিজ্য করে কমলাপুরে ৬৮-৬৮, ইএইচএল কমলাপুর কমপ্লেক্স, উত্তর কমলাপুর, ঢাকায় নিজের ও শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়ের নামে ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। যেখানে তিনি নিজে এবং শ্বশুর শ্বাশুড়ি বসবাস করেন। এছাড়াও ঢাকার উত্তরা ও ধানমন্ডিতে রয়েছে একাধিক অত্যাধুনিক ফ্লাট। শুধু তাই নয় স্ত্রী ও সন্তান সহ নামে বেনামে কিনেছেন কোটি কোটি টাকার জমি এবং ব্যাংকে স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মা ও শ্বশুরবাড়ীর আত্মীয়ের নামে কোটি কোটি টাকা সঞ্চয় করেছেন। জন্মস্থান কুমিল্লায় ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমান জমি ও গড়েছেন অঢেল সম্পদ। যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে অনেক অজানা তথ্যসহ থলের বিড়াল।
এদিকে আরেক রত্ন উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ তানভীর আহমেদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ন্যাশনাল ড্রাগ কন্ট্রোল ল্যাবরেটরী কর্তৃক মান বর্হিভূত ৭৭ টি ঔষধের নিম্ন মানের হওয়ায় ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে কয়েক কোটি টাকা লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। যার সকল তথ্য নথিপত্র প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এছাড়াও ২০২৫ সালে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটি টাকা অর্থের বিনিময়ে ময়মনসিংহ বিভাগের ১৩ জনকে নিয়োগ প্রদান করেকছেন। এ ছাড়াও মোটা অংকের বিনিময়ে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস হার্বাল ডিভিশন এর কারখানা স্থাপন ব্যাতিরেকে নতুন প্রজেক্ট ও লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন। উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ তানভীর আহমেদ উপ-পরিচালক এডমিনে থেকে বিভিন্ন উপায়ে প্রায় ২ কোটি টাকা এবং ৪৭ টি ঔষধের দাম বৃদ্ধি করে প্রায় ৫ কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন । এছাড়াও অনুসন্ধানে জানা যায়, তানভীর আহমেদ নামে বেনামে তার ও স্ত্রী সন্তানের নামে অঢেল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এই অবৈধ অর্থ দিয়ে গ্রামে নামে বেনামে জমি ক্রয় এবং Flat No. 7A, Toma Orchid Bot Tola , Moshjid, Cumilla Hotel Mor, Khilgaon, Chowrasta,x Taltola, Khilgaon, Dhaka ঠিকানায় বিলাসবহুল ফ্লাট ক্রয় করেছেন।
প্রকাশ, ৫ই আগস্ট এর পর বাংলাদেশে সকল মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রানাধীন অধিদপ্তর সমূহে কর্মরত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারীদের বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে ফ্যাসিস্ট কার্যক্রমের জন্য চাকরিচ্যুত/ওএসডি/বদলী করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের একমাত্র অধিদপ্তর যার কার্যক্রম মানুষের জীবন মরণের সাথে সম্পৃক্ত কিন্তু দুর্নীতি ও ফ্যাসিযমের শত শত প্রমান পত্রিকার, টিভি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় খবর প্রকাশের পরেও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে বহাল তবিয়তে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারী তিন রত্ন পরিচালক (চলতি দায়িত্ব)নাঈম গোলদার, উপ-পরিচালক প্রশাসন মোঃ তানভীর আহমেদ এবং ইসকনের সক্রিয় সদস্য উপ-পরিচালক সৈকত কুমার কর। খুঁটি গেড়ে প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কার্যক্রম বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে। যা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তথা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে বির্তকিতই করছেনা বরং বর্তমান সরকারের ঔষধ খাতে বিভিন্ন ভালো উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে হরহামেশাই।
এদিকে পৃথক পৃথক ভাবে তিন জনের মুঠোফোনে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করা হলে কেউ ফোন রিসিভ করেন নি। অপরদিকে ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অনেকেই দাবী করছেন, দুদকের অনুসন্ধান টিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র খতিয়ে দেখে আইনাইনুগ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এবং সকল দুর্নীতি ও অসুদুপায়ে অনৈতিক ভাবে অর্জিত সকল সম্পদের খোজ নিতে ব্যাংক, বীমা, সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জাতীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ভূমি অফিস, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন (রিহ্যাব) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জেলা রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ঢাকা বিভাগ, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে আবেদন করার কথাও জানান অনেকেই।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ত্রিরত্ন নাঈম গোলদার, সৈকত কুমার কর এবং তানভীর আহমেদের প্রতিহিংসার স্বীকার ভুক্তভোগী অনেক সচেতন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সেবা গ্রহীতা অনেকের দাবী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী ও আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বুনে যাওয়া তিন জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সকল দুর্নীতির তথ্য খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশ, উল্লেখিত সংবাদে প্রতিবেদকের কোন মনগড়া তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তথ্য প্রাপ্তি এবং সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণ ও পর্যালোচনা পূর্বক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে সংবাদটি প্রকাশ করা হলো।