। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যার পর মরদেহ তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন পর তুরাগ নদী থেকে তিনজন ছাত্রলীগ কর্মীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় কয়েকজন সূত্র।
ঘটনার বিবরণে এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, রাজনৈতিক মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই সাতজন ছাত্রলীগ কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। হামলার পর কয়েকজনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপর থেকে তারা নিখোঁজ হয়ে যান। পরবর্তীতে তিনজনের মরদেহ তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার করা হলেও বাকি চারজনের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত রিপন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন এবং তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এই রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই এমন গুরুতর অপরাধ সংঘটনের সাহস পেয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখন পর্যন্ত তদন্তের অগ্রগতি কিংবা দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া মামলা দায়ের ও তদন্ত কার্যক্রম নিয়েও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ চারজনের সন্ধান এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা
ঘটনার বিবরণে এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, রাজনৈতিক মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই সাতজন ছাত্রলীগ কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। হামলার পর কয়েকজনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপর থেকে তারা নিখোঁজ হয়ে যান। পরবর্তীতে তিনজনের মরদেহ তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার করা হলেও বাকি চারজনের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত রিপন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন এবং তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এই রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই এমন গুরুতর অপরাধ সংঘটনের সাহস পেয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখন পর্যন্ত তদন্তের অগ্রগতি কিংবা দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া মামলা দায়ের ও তদন্ত কার্যক্রম নিয়েও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ চারজনের সন্ধান এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা