নওগাঁ জেলা (স্টাফ রিপোর্টার) মোঃ আকতার হোসেন।
নওগাঁর পোরশায় উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) সমমান পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে মূল পরীক্ষার্থীসহ ২ যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কেই ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১৭৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার দুপুরে পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— মূল পরীক্ষার্থী পোরশা থানার বারিন্দা গ্রামের মোঃ রেজাউল সরদারের ছেলে মোঃ জাহিদ হাসান (২১) এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী একই থানার দেওনাপাড়া গ্রামের সময় বর্মনের ছেলে বিপ্লব বর্মন (২০)।
পুলিশ ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আজ পোরশা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি (সমমান) পরীক্ষা চলাকালীন মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানের পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেন বিপ্লব বর্মন। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকের কাছে বিপ্লবের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সাথে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল না পাওয়ায় শিক্ষক বিষয়টি কেন্দ্রে কর্তব্যরত এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ নাবিলা ফেরদৌস কে অবহিত করেন।
অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রথমে প্রক্সি পরীক্ষার্থী বিপ্লব বর্মনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানকেও পরীক্ষা কেন্দ্রে ডেকে এনে আটক করা হয়।
আটকের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত (মামলা নং-৯৬, ৯৭; তারিখ: ০৪/০৭/২০২৬) পাবলিক পরীক্ষা সমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০ এর ১৩ (৩-ক) ধারা মোতাবেক অপরাধ স্বীকার করায় উভয় আসামিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং একই সাথে ১৭৫০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। একই সাথে তাদের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পোরশা থানা অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে নওগাঁ কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছ।