সোনা চোরাচালানের ‘গডফাদাররা’ অধরা

আপলোড সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন



গত ১৪ বছরে মামলা ১৩৪৫টি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নেই
প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে মানি লন্ডারিং আইনে মামলার প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের

সোনা চোরাচালানের নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে চলেছে বাংলাদেশে। এ কারবারের নেপথ্যের নায়ক বা ‘গডফাদাররা’ সবার নাকের ডগায় একে প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।


কিন্তু সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূল ‘কারিগররা’ পর্দার অন্তরালে ঠিকই বহাল তবিয়তে। ধরা পড়ছেন ‘চুনোপুঁটি’র মতো সাধারণ বাহকরা। আটক হয়, মামলা হয় কিন্তু বড় কোনো শাস্তি নেই। ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে কোনো একটি চালান ধরা পড়লেও নেপথ্যের নায়করা পেছন থেকে আরো ১০টি চালান ঠিকই ঢুকিয়ে দিচ্ছেন বিনা বাধায়।


জানা যায়, গত ১৪ বছরে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় এক হাজার ৩৪৫টি মামলা হয়েছে। কিন্তু দুর্বল আইনের কারণে একটিরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। এমনকি ‘গডফাদাররা’ও সামনে আসেননি। ফলে থামছে না সোনা চোরাচালানের বেপরোয়া সিন্ডিকেট।


মামলার এজাহার, চার্জশিট (অভিযোগপত্র), সাক্ষীদের জবানবন্দি ও রায় পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত ‘ক্যারিয়ার’ বা বাহককে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর প্রধান কারণ হলো—উপযুক্ত আইনে মামলা না করা। স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় যেখানে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে’ মামলা হওয়ার কথা, সেখানে মামলা হচ্ছে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে। আর বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা এসব মামলায় চোরাচালানকৃত স্বর্ণের উৎস খুঁজে বের করা তথা দেশ-বিদেশে থাকা সম্পৃক্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা প্রায় অসম্ভব। গত ১৪ বছরে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় যেসব মামলা হয়েছে, এর প্রতিটি মামলাই মানি লন্ডারিং আইনে না করে ১৯৪৭ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা হয়েছে।


মানি লন্ডারিং আইনের মামলা হলে ‘টাকার উৎস’ খুঁজে গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
শুধু দুর্বল মামলাই নয়, এসব মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমও চলছে ধীরগতিতে। ত্রুটিপূর্ণ এজাহার, জব্দ তালিকায় গরমিল, উল্টো সাক্ষী দেওয়া ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশসহ নানা কারণে মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আর বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে বেশির ভাগ আসামিই জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন। ফলে জড়িতদের কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, স্বর্ণ চোরাচালান বিষয়টি একটি বিশেষায়িত খাত। চোরাচালান প্রতিরোধে প্রাধান্য দিতে হবে। অর্থের মোহে না পড়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রতিটি কাজেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সৃষ্টি হলেই স্বর্ণ চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হবে। মামলার সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিত করতে হবে।

সাবেক জেলা জজ মো. মঈদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা শুধু ‘ক্যারিয়ার’ বা বাহকের কাছ থেকে যে পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধার করেন তা খুবই সামান্য। আর এটি দৃশ্যমান যে বাহকরা কোথা থেকে স্বর্ণ এনেছেন—সেই উৎসর দিকে তদন্ত কর্মকর্তারা অজ্ঞাত কারণে যান না। মামলার তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বের দায় তদন্তকারী ও তদারককারী কর্মকর্তার। মামলায় ভালো ফলাফল পেতে হলে তদারককারী কর্মকর্তাদের শক্ত ভূমিকা পালন করতে হবে। তদারককারী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসারে তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বর্ণ চোরাচালানের উৎসর দিকে যেতে পারবেন। সাধারণত দীর্ঘদিন পর এসব মামলার চার্জশিট হয়ে থাকে। তখন আরো অনেক দেরি হয়ে যায়। প্রায় সব ক্ষেত্রেই শুধু বহনকারীকে আসামি করে এবং চোরাচালানের উৎসর সন্ধান না করেই চার্জশিট দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে বিচারক চার্জশিট গ্রহণ না করে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিলেও খুব বেশি ফল হবে না। যদিও এমন নির্দেশনাও খুব একটা দেখা যায় না।

সাবেক এই জেলা জজ আরো বলেন, ‘আমাদের দেশের তদন্তকারী কর্মকর্তারা মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশে জড়িতদের নিয়েই তদন্তে ব্যস্ত থাকেন। বিদেশি যারা জড়িত, তাদের তদন্তে যুক্ত করা হয় না। চোরাচালান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সম্পৃক্ত একটি অপরাধ। তদন্তকারী কর্মকর্তারা চাইলে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলাগুলো মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় এনে তদন্ত করা সম্ভব। এতে করে অর্থপাচারের বিষয়গুলো আরো গুরুত্ব পাবে। আন্তর্জাতিক এই ক্রাইমে জড়িত ক্যারিয়ার থেকে স্বর্ণ ইনপুটকারী প্রতিটি চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। স্বর্ণের সাপ্লাইয়ারকে ধরতে হবে। সাপ্লাইয়ারকে ধরতে না পারলে এই চোরাচালান বন্ধ করা সম্ভব নয়।

স্বর্ণ চোরাচালানের পরিসংখ্যান : ঢাকা কাস্টম হাউসের তথ্যানুযায়ী, গত ১৪ বছরে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় এক হাজার ৩৪৫টি মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলাই মানি লন্ডারিং আইনে না করে ১৯৪৭ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা হয়েছে।

ঢাকা কাস্টম হাউসের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৬৯৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫৫৫ কেজি, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪১৭ কেজি এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৬৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। আর চলতি বছরের এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬৩ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ২০২১ সাল থেকে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ৫৪০টি মামলা করা হয়েছে। অন্য একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ে ঢাকা কাস্টম হাউস থেকে ৮০৫টি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এর মধ্যে ২০১৩ সালে ২৭টি, ২০১৪ সালে ১২০টি, ২০১৫ সালে ৯৩টি, ২০১৬ সালে ৫০টি, ২০১৭ সালে ৬২টি, ২০১৮ সালে ১১০টি, ২০১৯ সালে ৭৭টি, ২০২০ সালে ৩২টি, ২০২১ সালে ১০৫টি ও ২০২২ সালে ১২৯টি মামলা রয়েছে। প্রতিটি মামলাই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা হয়েছে। একটি মামলাও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা হয়নি।

মামলার তদন্ত ও বিচারে ধীরগতি : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ বছরে যেমন চোরাচালানের প্রচুর স্বর্ণ আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস, তেমনি এসব ঘটনায় থানায় হওয়া মামলাগুলোর প্রায় আসামিই জামিন পেয়েছেন। গত ১০ বছরে করা ঢাকা কাস্টম হাউস চোরাকারবারিদের হাতেনাতে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। এই সময় বড় চালানের দিক থেকে অন্তত ৪৬টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ মামলায় আসামিরা কারাগারে আছেন। বাকি ৩৫টি মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন। রায় হয়েছে একটি মামলায়। এ ছাড়া বাকি ৪৫টি মামলার মধ্যে ১১টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। বাকি মামলাগুলো ঢাকা মহানগরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচারাধীন রয়েছে।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০২১ ও ২০২২ সালে ঢাকা কাস্টম হাউস উল্লেখযোগ্য স্বর্ণের ১২টি চোরাচালান আটক করে। এর মধ্যে ২০২২ সালের ২৪ মার্চ মো. তাজুল ইসলাম ছয় কেজি ৪৯২ গ্রাম, ১২ এপ্রিল মোহাম্মদ আরিফ ছয় কেজি ৮২৭ গ্রাম, ১৫ এপ্রিল মোহাম্মদ রাসেল এক কেজি ৩৩০ গ্রাম, ১৯ এপ্রিল শাহনাজ চৌধুরী ছয় কেজি ৮৪৪ গ্রাম, ১ মে পরিত্যক্ত অবস্থায় আট কেজি ১২০ গ্রাম ও ২৬ মে মোহাম্মদ আবদুল আজিজ আখন্দ আট কেজি ১২০ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। এর মধ্যে একটি মামলায় কোনো আসামি আটক নেই। বাকি পাঁচ মামলায় আসামিরা কারাগারে আছেন।

২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি সরোয়ার উদ্দিন সাত কেজি ২৯০ গ্রাম, ৪ মার্চ মো. আবুল খায়ের পাঁচ কেজি ২২০ গ্রাম, ১ মে মোমেনুর রহমান ও মো. নজরুল ফরাজী তিন কেজি ৪০০ গ্রাম, ১ মে জয়নাল আবেদীন দুই কেজি ৮১৭ গ্রাম, ১৮ জুলাই রাকিবুল হাসান ছয় কেজি দশমিক ৩২ গ্রাম ও ২৭ জুলাই মহিন উদ্দিন চার কেজি ২৯২ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। এই ছয় মামলার মধ্যে সরোয়ার উদ্দিনের মামলায় আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বাকি মামলাগুলো তদন্তাধীন। এ ছাড়া মামলাগুলোর মধ্যে শুধু মহিন উদ্দিন জামিনে আছেন। বাকি আসামিরা কারাগারে।

২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি পরিত্যক্ত এক কেজি ১৬০ গ্রাম, ৩ মার্চ আবু সালেহ মুসা এক কেজি ৮৫০ গ্রাম, ১৮ জুলাই মোহাম্মদ জসিম এক কেজি ৮৫০ গ্রাম, ২৩ অক্টোবর পরিত্যক্ত সাত কেজি ৮৮৮ গ্রাম, ২২ নভেম্বর মোহাম্মদ জাভেদ এক কেজি ৪২৩ গ্রাম ও ২৮ ডিসেম্বর পরিত্যক্ত দুই কেজি ৫৫২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার হয়। এসব ঘটনায় করা ছয়টি মামলার মধ্যে একটি মামলা তদন্তাধীন ও বাকি পাঁচটি মামলা ঢাকা মহানগরের বিশেষ ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মাসুদ খান দুই কেজি ৮৯ গ্রাম, ২ মার্চ আব্দুল আউয়াল দুই কেজি ৩৯০ গ্রাম, ১৩ মার্চ চীনা নাগরিক চেন জিফা পাঁচ কেজি ৫৬৮ গ্রাম, ৩০ এপ্রিল ভারতীয় নাগরিক মোহাম্মদ আমির খান তিন কেজি ২০০ গ্রাম, ৮ আগস্ট জাপানি নাগরিক সুচি সাৎও পাঁচ কেজি ৯৯৮ গ্রাম ও ৩ ডিসেম্বর হিমেল খান আট কেজি ৯৯৪ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। এসব ঘটনায় করা ছয়টি মামলায়ই আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বিচারাধীন এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি লাকি আক্তার দুই কেজি ৭৮৫ গ্রাম, ১৩ জানুয়ারি জাপানি নাগরিক কেঙ্গু শিবাতা ১০ কেজি ৯৫৬ গ্রাম, ২৫ জানুয়ারি মোস্তফা কামাল চার কেজি ৬৪০ গ্রাম, ২৭ জানুয়ারি মোহাম্মদ আবু তাহের এক কেজি ১৬০ গ্রাম, ৩০ জানুয়ারি মোহাম্মদ বাসেদ দুই কেজি ৪৪০ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। এসব ঘটনায় করা পাঁচটি মামলায় এরই মধ্যে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৭ সালের ৬ মার্চ নবাব সলিমুল্লাহ ৮৮৪ গ্রাম, ২৬ অক্টোবর ইউসুফ চৌধুরী ৩৩০ গ্রাম, ১০ ডিসেম্বর মো. মাহাবুবুল ইসলাম ও ভূঁইয়া মাহফুজ ৫৫৩ গ্রাম, ৩ নভেম্বর পঙ্কজ দে ৩৪৪ গ্রাম ও ৮ নভেম্বর মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ৪৬৪ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। এসব ঘটনায় করা প্রতিটি মামলায় আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বিচারাধীন মামলাগুলোয় আাাসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মজিব সরকার এক কেজি ৩৭০ গ্রাম, ২৩ এপ্রিল মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ৫৭৬ গ্রাম, ২৫ এপ্রিল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তিন কেজি ৫০০ গ্রাম, ১৪ মে মোহাম্মদ আবু বক্কর ৯৩২ গ্রাম ও ১৭ অক্টোবর মো. মোর্শেদ হোসেন এক কেজি ৩৭ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। মামলাগুলোর মধ্যে জামিনে গিয়ে পলাতক মজিব সরকারের মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি মামলাগুলো তদন্তাধীন। এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল মো. শাকায়েত উল্লাহ, ৭ সেপ্টেম্বর নান্না লাল মজুমদার, ১৬ নভেম্বর মো. হুমায়ুন কবির, ২৭ নভেম্বর আব্দুল আউয়াল ৫৯৪ গ্রাম, ২৪ নভেম্বর মো. সায়েম খান ও ৬ ডিসেম্বর পরিত্যক্ত স্থান থেকে স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় করা ছয়টি মামলার সবটির চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৪ সালের ৫ জুলাই মো. রফিকুল ইসলাম, ৬ জুলাই মোতাহার হোসেন, ৮ জুলাই আলাউদ্দিন ৫৪ পিস স্বর্ণের বার, ৬ নভেম্বর মোহাম্মদ মামুন ৪৯৪ গ্রাম, ১১ নভেম্বর মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ ৫০০ গ্রাম ও একই দিন মো. আব্দুল আজিজ তিন কেজি ১০৫ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। চার্জশিট হওয়া এসব মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আসামিরা জামিনে আছেন।

২০১৩ সালের ১২ এপ্রিল খাদিজা আক্তার ১৫০ ভরি, ৪ মে মো. আব্দুর রউফ ১৯৬ গ্রাম ১৪ মে অন্য একটি, ৯ জুন গোলাম রব্বানী ও শহিদুল হক এবং ১৫ ডিসেম্বর মো. শহিদুল্লাহ দুই কেজি ৪৪৭ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক হন। মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় আসামিরা জামিনে আছেন।

সম্পাদকীয় :

উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য : ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান
সম্পাদক : তোফাজল আহমেদ ফারুকী
ব্যাবস্থাপনা সম্পাধক : আব্দুল্লাহ রানা সোহেল
প্রকাশক : মোঃ সোহেল রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী
প্রধান প্রতিবেদক : হাসিবুর রহমান হাসিব 

যোগাযোগের ঠিকানা :

লাবিনা এপার্টমেন্টে # বাড়ি এ-৩, রোড # ০৮, সেক্টর #০৩,উত্তরা
উত্তরা মডেল টাউন -ঢাকা -১২৩০, বাংলাদেশ

মোবাইল :  ০১৭১৭-৬৭৬৬৬৪

ই-মেইল :  dailyvoicenews247@gmail.com