স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ।
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মহব্বতখানী মহল্লার মোফাজ্জল হোসেন গত ১২ জুলাই ২০২৫ সৌদি আরবের "সারা
ফানিস আল ইয়ামি," কোম্পানিতে ফুড ডেলিভারি
কাজ করার জন্য কোম্পানিতে পৌছে। দুদিন পর মোফাজ্জল হোসেন রাতে তার ব্যাগসহ কোম্পানি থেকে চলে যায়। সেখানে দায়িত্বরত জুয়েল রহমান
মোফাজ্জল হোসেনের মুঠোফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। জুয়েল রহমান জানান,তিনি সাথে
সাথে দেশে থাকা তার বড় ভাই সাইদ মিয়াকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা অবগত করেন। এ প্রতিবেদকের হাতে আসা ডকুমেন্টস যাচাই-বাছাই
করে দেখা যায়,মোফাজ্জল হোসেন বৈধ ডকুমেন্টস
নিয়েই সৌদি আরব গেছেন। উক্ত কোম্পানিতে কাজ করে বাংলাদেশী একাধিক শ্রমিক জানিয়েছেন, মোফাজ্জল হোসেন বেশী বেতনের আশায় অন্যত্র কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন বলে তারা ধারণা করছেন। এদিকে একটি চক্র বক্সিং একাডেমির কোচ জুয়েল রহমানকে হেয় পতি পন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
মিথ্যা অপপ্রচার করছে বলে, জুয়েল রহমান অভিযোগ করেন। বৈধ ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ
সৌদি গিয়ে মোফাজ্জল হোসেন পালিয়ে যাওয়ায়
বাংলাদেশের দূর্নাম হচ্ছে বলে বলে জানান জুয়েল রহমান। তিনি বলেন, ভিসা জাল কথাটি সত্য নয়।
সারা ফানিস আল ইয়ামি কোম্পানিতে ফুড ডেলিভারিতে কাজ করার জন্যই মোফাজ্জল হোসেন সৌদি এসেছেন। তিনি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানান।