নিজস্ব প্রতিবেদক সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিককে হেনস্তা, অপমানজনক মন্তব্য এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক নির্বাহী প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে ওই সাংবাদিক গণপূর্তের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রবেশের আগে তাকে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও ক্যামেরাপারসনকে কক্ষের বাইরে রেখে একাই প্রকৌশলীর কক্ষে প্রবেশ করতে বলা হয়।
সাংবাদিকের দাবি, এ ঘটনার ভিডিও তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। সাংবাদিকের অভিযোগ, কক্ষে প্রবেশের পর কোনো সৌজন্যমূলক আচরণ না করে প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরী প্রথমেই প্রশ্ন করেন, “গণপূর্তের সঙ্গে সাংবাদিকদের কী কাজ?”
এরপর সাংবাদিক গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিভিন্ন অভিযোগ, অতীতে প্রকাশিত সংবাদ এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রকৌশলী উত্তেজিত হয়ে পড়েন । একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি তো বরিশাল থেকে চুরি করে এসেছেন, আমার কাছে এমন অভিযোগ আছে।” জবাবে সাংবাদিক জানান, তার বাড়ি বরিশালে নয় এবং এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি থাকলে তা উপস্থাপনের অনুরোধ করেন। সাংবাদিকের আরও অভিযোগ করেন , ড. আবু নাসের চৌধুরী বারবার চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেন যে তার বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি। পরে সাংবাদিক ইন্টারনেটে তার নাম সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখালে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভিজিটিং কার্ড দেখানোর পরও সাংবাদিকের পরিচয়পত্র ও অফিস লেটার দেখতে চাওয়া হয়। পরে সাংবাদিক কোথায় পড়াশোনা করেছেন জানতে চাইলে তিনি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করেছেন বলে জানান। তখন প্রকৌশলী নিজেকে বুয়েটের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেন। জবাবে সাংবাদিক বলেন, বুয়েট থেকে পড়াশোনা করলেই কেউ প্রশ্নের ঊর্ধ্বে চলে যান না। সাংবাদিকের দাবি, সাক্ষাৎকার শেষে ভবনের ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন এবং জানান, ড. আবু নাসের চৌধুরীর নির্দেশেই ভিডিও ধারণ করতে দেওয়া হবে না।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরীর বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে টেন্ডার আহ্বান করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প থেকে ১০ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য এবং মোটা অঙ্কের অর্থে পছন্দসই পোস্টিং বাগিয়ে নেওয়ার গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ টেন্ডার কেলেঙ্কারি: বগুড়া গণপূর্ত সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে (২০২৪-২৫ অর্থবছর) নিয়মবহির্ভূতভাবে এলটিএম (LTM) পদ্ধতির বদলে ওটিএম (OTM) পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বানের অনুমতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। কমিশন বাণিজ্য: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ ও বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনাভুক্ত (APP) কাজের বিপরীতে ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে ১০ শতাংশ হারে কমিশন বা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সিন্ডিকেট ও পদায়ন: অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বর্তমান কর্মস্থল ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এ পোস্টিং নিশ্চিত করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ড.আবু নাসের চৌধুরীর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের যোগসূত্র সামনে এসেছে: রাজনৈতিক প্রভাব ও পারিবারিক পরিচয় পারিবারিক যোগসূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড. আবু নাসের চৌধুরী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির ভায়রা।
এই প্রভাবশালী পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয় খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রভাবশালী সিন্ডিকেট: বিগত সরকারের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরে যে কয়েকটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, তার মধ্যে অন্যতম শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে তার নাম যুক্ত ছিল। অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অভিজাত এলাকায় সম্পদ: ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তার ও তার পরিবারের নামে একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে।
বর্তমান দাপ্তরিক অবস্থা ও দুদকের নজর দুদকের অনুসন্ধান: দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের যেসকল 'বিতর্কিত' ও দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে, সেই তালিকায় ড. আবু নাসের চৌধুরীর নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পদায়নের বিতর্ক: ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও তিনি অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজের পদায়ন বা পোস্টিং বহাল রাখতে সক্ষম হন, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা বলেন, কোনো সাংবাদিকের শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করা, পেশাগত পরিচয়কে খাটো করা কিংবা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
তাদের ভাষ্য, একজন ব্যক্তি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা অন্য যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেই তিনি সাংবাদিক হতে পারবেন না—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
সুশাসন ও জবাবদিহি নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদার ও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। কোনো অভিযোগ থাকলে তার জবাব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দেওয়া উচিত, ব্যক্তিগত মন্তব্য বা অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াও জরুরি। এ বিষয়ে ড. আবু নাসের চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গেও একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এদিকে সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সাংবাদিকের দাবি, এ ঘটনার ভিডিও তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। সাংবাদিকের অভিযোগ, কক্ষে প্রবেশের পর কোনো সৌজন্যমূলক আচরণ না করে প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরী প্রথমেই প্রশ্ন করেন, “গণপূর্তের সঙ্গে সাংবাদিকদের কী কাজ?”
এরপর সাংবাদিক গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিভিন্ন অভিযোগ, অতীতে প্রকাশিত সংবাদ এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রকৌশলী উত্তেজিত হয়ে পড়েন । একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি তো বরিশাল থেকে চুরি করে এসেছেন, আমার কাছে এমন অভিযোগ আছে।” জবাবে সাংবাদিক জানান, তার বাড়ি বরিশালে নয় এবং এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি থাকলে তা উপস্থাপনের অনুরোধ করেন। সাংবাদিকের আরও অভিযোগ করেন , ড. আবু নাসের চৌধুরী বারবার চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেন যে তার বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি। পরে সাংবাদিক ইন্টারনেটে তার নাম সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখালে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভিজিটিং কার্ড দেখানোর পরও সাংবাদিকের পরিচয়পত্র ও অফিস লেটার দেখতে চাওয়া হয়। পরে সাংবাদিক কোথায় পড়াশোনা করেছেন জানতে চাইলে তিনি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করেছেন বলে জানান। তখন প্রকৌশলী নিজেকে বুয়েটের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেন। জবাবে সাংবাদিক বলেন, বুয়েট থেকে পড়াশোনা করলেই কেউ প্রশ্নের ঊর্ধ্বে চলে যান না। সাংবাদিকের দাবি, সাক্ষাৎকার শেষে ভবনের ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন এবং জানান, ড. আবু নাসের চৌধুরীর নির্দেশেই ভিডিও ধারণ করতে দেওয়া হবে না।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরীর বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে টেন্ডার আহ্বান করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প থেকে ১০ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য এবং মোটা অঙ্কের অর্থে পছন্দসই পোস্টিং বাগিয়ে নেওয়ার গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ টেন্ডার কেলেঙ্কারি: বগুড়া গণপূর্ত সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে (২০২৪-২৫ অর্থবছর) নিয়মবহির্ভূতভাবে এলটিএম (LTM) পদ্ধতির বদলে ওটিএম (OTM) পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বানের অনুমতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। কমিশন বাণিজ্য: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ ও বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনাভুক্ত (APP) কাজের বিপরীতে ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে ১০ শতাংশ হারে কমিশন বা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সিন্ডিকেট ও পদায়ন: অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বর্তমান কর্মস্থল ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এ পোস্টিং নিশ্চিত করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ড.আবু নাসের চৌধুরীর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের যোগসূত্র সামনে এসেছে: রাজনৈতিক প্রভাব ও পারিবারিক পরিচয় পারিবারিক যোগসূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড. আবু নাসের চৌধুরী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির ভায়রা।
এই প্রভাবশালী পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয় খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রভাবশালী সিন্ডিকেট: বিগত সরকারের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরে যে কয়েকটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, তার মধ্যে অন্যতম শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে তার নাম যুক্ত ছিল। অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অভিজাত এলাকায় সম্পদ: ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তার ও তার পরিবারের নামে একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে।
বর্তমান দাপ্তরিক অবস্থা ও দুদকের নজর দুদকের অনুসন্ধান: দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের যেসকল 'বিতর্কিত' ও দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে, সেই তালিকায় ড. আবু নাসের চৌধুরীর নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পদায়নের বিতর্ক: ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও তিনি অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজের পদায়ন বা পোস্টিং বহাল রাখতে সক্ষম হন, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা বলেন, কোনো সাংবাদিকের শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করা, পেশাগত পরিচয়কে খাটো করা কিংবা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
তাদের ভাষ্য, একজন ব্যক্তি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা অন্য যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেই তিনি সাংবাদিক হতে পারবেন না—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
সুশাসন ও জবাবদিহি নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদার ও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। কোনো অভিযোগ থাকলে তার জবাব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দেওয়া উচিত, ব্যক্তিগত মন্তব্য বা অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াও জরুরি। এ বিষয়ে ড. আবু নাসের চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গেও একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এদিকে সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।