মোঃ জাকির খান টাঙ্গাইল ।
তীব্র আকার ধারণ করেছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় গড়ে মাত্র আট ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে তীব্র গরম ও বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে না পারায় শিশু ও বয়স্কদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সময়মতো ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ভ্যানচালকরা। তাদের দাবি, আয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে লোডশেডিং কমানো হোক।
ধনবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ থেকে ১৬ মেগাওয়াট। বর্তমানে গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৯ থেকে ১১ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।