বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্তসহ মোট ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত অনুযায়ী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১০০ কোটি টাকা আমানত মাত্র ২.৫ শতাংশ সুদে ব্যাংকে আনার বিপরীতে ৪ কোটি টাকা ‘আপ্যায়ন ব্যয়’ হিসেবে দেখানো হয়। পরে এই অর্থ ব্যাংকের ১৩ কর্মকর্তার হিসাবে ‘প্রণোদনা’ হিসেবে জমা দিয়ে ১৪টি চেকের মাধ্যমে নগদে তুলে নেওয়া হয়।
তদন্তে বলা হয়েছে, ৭ জুন ৩ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং পরদিন আরও ৯৬ লাখ টাকা ব্যাংকের গাড়িতে করে উত্তরা ও গুলশানের দুটি ক্লাবে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন ও এসপিও হামিদুর রহমানকে বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আমানতের অর্থ ফেরত আনা এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি অনুযায়ী, এক মাসের মধ্যে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, ‘উজ্জীবন আমানত ক্যাম্পেইন’-এর মেয়াদ ১৪ মে শেষ হওয়ার পরও বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৪ কোটি টাকা প্রণোদনা হিসেবে ব্যয় করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দাবি, কর্মকর্তারা এই অর্থ প্রণোদনা হিসেবে পেয়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লিখিত বক্তব্য দেবে।