সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে এমপিও কাগজপত্রে কারসাজির অভিযোগ

আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন
রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহজাহান কবির বকুলের বিরুদ্ধে এমপিও কাগজপত্রে কারসাজি করে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাইম স্কেল ও উচ্চতর স্কেলের সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বৈধ রেজুলেশন ছাড়াই তাকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত করে নিয়মবহির্ভাবে নেওয়া সরকারি অর্থ ফেরত এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এবিএম মহিউদ্দীন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহজাহান কবির বকুল ১৯৯৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৯৭ সালে তিনি এমপিওভুক্ত হন। পরে ২০০০ সালের ১ জুন তিনি বিএড স্কেল গ্রহণ করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএড স্কেল পাওয়ার আট বছর পর টাইম স্কেল পাওয়ার বিধান থাকলেও শাহজাহান কবির তার প্রথম এমপিও শিটে ঘষামাজা করে বিএড স্কেলের কোড বসান। এরপর নিয়মবহির্ভূতভাবে ২০০৫ সাল থেকেই টাইম স্কেল এবং পরবর্তীতে উচ্চতর স্কেলের সুবিধা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। এতে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, এমপিও সংক্রান্ত অভিযোগের মধ্যেই শাহজাহান কবির বকুলকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের কোনো বৈধ রেজুলেশন ছাড়াই একক ক্ষমতাবলে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের চার সদস্যের অ্যাডহক কমিটির দুজন সদস্য দাবি করেছেন, শাহজাহান কবিরকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে তারা অবগত নন। এমনকি এ-সংক্রান্ত কোনো রেজুলেশনেও তারা স্বাক্ষর করেননি বলে জানিয়েছেন তারা। এ অবস্থায় বৈধ সিদ্ধান্ত ও কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতি ছাড়া কীভাবে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও স্থানীয়রা। অভিযোগকারীরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে এমপিও সংক্রান্ত অনিয়ম প্রমাণিত হলে সরকারি কোষাগার থেকে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ ফেরত আনা এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে দেওয়া দায়িত্ব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাহজাহান কবির বকুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে বিদ্যালয়ে গিয়েও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শিরিন বানু বলেন, “শাহজাহান কবিরের বিরুদ্ধে জালিয়াতির কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও ০১৭৪০৮৬১০৮০

সম্পাদকীয় :

উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য : ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান
সম্পাদক : তোফাজল আহমেদ ফারুকী
ব্যাবস্থাপনা সম্পাধক : আব্দুল্লাহ রানা সোহেল
প্রকাশক : মোঃ সোহেল রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী
প্রধান প্রতিবেদক : হাসিবুর রহমান হাসিব 

যোগাযোগের ঠিকানা :

লাবিনা এপার্টমেন্টে # বাড়ি এ-৩, রোড # ০৮, সেক্টর #০৩,উত্তরা
উত্তরা মডেল টাউন -ঢাকা -১২৩০, বাংলাদেশ

মোবাইল :  ০১৭১৭-৬৭৬৬৬৪

ই-মেইল :  dailyvoicenews247@gmail.com