এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেয়েছিল তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। দায়িত্ব নেওয়ার পর এক বছর পূর্তির দ্বারপ্রান্তে এসে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ও কাজের হিসাব তুলে ধরছেন রাকসু নেতারা। নানা উদ্যোগের পাশাপাশি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে—তা নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা–সমালোচনা ও প্রশ্ন। দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন রাকসু সহ–সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।
মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, কোন জনপ্রিয় নেতা হওয়ার জন্য না, আমি অনেক বড় নেতা হব; এমন উদ্দেশ্যও না। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অনেক শিক্ষার্থী না খেয়ে থাকে এই ক্যাম্পাাসে, অনেক শিক্ষার্থী আবাসন সমস্যায় আছে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে না পারা পর্যন্ত আমার শান্তি হচ্ছে না এবং আমি যেন এই বাকি সময়ের মধ্যে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি। অনেক শিক্ষার্থী এসে কান্নাকাটি করে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে আরও বেশি ভালো লাগতো।
তিনি বলেন, রাকসুকে শতভাগ সফল করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি আরও কিছু কাজ চলমান আছে। কিছু কাজ প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেজন্য অল্প কিছু কাজ বাস্তবায়ন করা হয়তো সম্ভব হবে না।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যাটা আমার কাছে অনুভব হয়েছে সেটা হলো শিক্ষার্থীদের অনাবাসিক ভাতা এবং আবাসন সমস্যা, এই চ্যালেঞ্জটা দূর করতে কোটি কোটি টাকার ব্যাপার। আর একটা হলো বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী আমাদের বাহিরে থাকে। প্রায় ২০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী বাইরে থাকে।
‘এই ২০ হাজার স্টুডেন্টকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয় যে এই সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করা যায়। চাইলে হল তৈরি করাও সম্ভব না, হল করতেও কয়েকবছর সময় লাগবে। এই কয়েকবছর কীভাবে চলবে। এই সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। প্রতিমাসে যদি ভাতাও দেওয়া যায় ১ হাজার করে। তবে দিলেও কয়েক কোটি টাকা লাগে, ওইটাও সরকার কোন ফান্ড থেকে দেবে? কীভাবে দেবে আমরা যোগাযোগ করছি। এই সমস্যাটাই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে।’